সব তথ্য ফাঁস
২২ এপ্রিল, ২০১৯ যাচাইকৃত অন্যান্য

Deezer: তথ্য ফাঁস

Deezer-এর তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি একটি বড় আকারের তথ্য ফাঁস, যা এই মিউজিক স্ট্রিমিং সেবার 22,90,37,936টি অ্যাকাউন্টকে প্রভাবিত করেছে। তথ্যগুলোর তারিখ 22 এপ্রিল 2019 বলে ধরা হয়; তথ্যসমষ্টিটি পরে 2022 সালের শেষ দিকে সামনে আসে এবং 2 জানুয়ারি 2023 তথ্য ফাঁসের ডেটাবেসগুলোতে যুক্ত করা হয়। এই ফাঁসের সূত্রপাত Deezer-এর নিজস্ব মূল সিস্টেম থেকে নয়, বরং আগে তাদের ব্যবহৃত একটি তৃতীয় পক্ষের সেবাদাতার কাছে থাকা তথ্যের পুরোনো একটি কপি থেকে। প্রকাশিত তথ্যে পাসওয়ার্ড বা পেমেন্টের তথ্য না থাকলেও নাম, ইমেইল, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, IP ঠিকানা, ভৌগোলিক অবস্থান, ব্যবহারকারীর নাম ও পছন্দের ভাষার মতো তথ্য একসঙ্গে বিবেচনা করলে ব্যবহারকারীর পরিচয় ও অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অভ্যাসকে কাজে লাগিয়ে ফিশিংয়ের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

২২৯ মিলিয়ন
প্রতিবেদিত রেকর্ড
8
তথ্যের ধরন
অতি গুরুতর
গুরুতরতার মাত্রা
১০ অক্টো, ২০২৬
সর্বশেষ হালনাগাদ

নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন

এই তথ্য ফাঁসে আপনি প্রভাবিত হয়েছেন কি না যাচাই করুন

আমার ইমেইল যাচাই করুন

উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন

8
  • জন্মতারিখ
  • ইমেইল ঠিকানা
  • লিঙ্গ
  • ভৌগোলিক অবস্থান
  • IP ঠিকানা
  • নাম
  • কথা বলার ভাষা
  • ব্যবহারকারীর নাম

এই তথ্য ফাঁস সম্পর্কে

ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন ও ঝুঁকি

যাচাইকৃত তথ্যের ধরনগুলোর মধ্যে রয়েছে জন্মতারিখ, ইমেইল ঠিকানা, লিঙ্গ, ভৌগোলিক অবস্থান, IP ঠিকানা, নাম, কথা বলার ভাষা ও ব্যবহারকারীর নাম। এসব তথ্যের মধ্যে পাসওয়ার্ড না থাকলেও ব্যবহারকারীর প্রোফাইল তৈরি করতে এগুলো বেশ কার্যকর। ইমেইল ঠিকানা ও ব্যবহারকারীর নাম দিয়ে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের অ্যাকাউন্টের মধ্যে যোগসূত্র খুঁজে বের করা যেতে পারে। নাম, জন্মতারিখ ও অবস্থানের তথ্য ব্যবহারকারীর প্রকৃত পরিচয় সম্পর্কে বাড়তি ধারণা দেয়। একটি IP ঠিকানা থেকে সংযোগের অঞ্চল, ইন্টারনেট সেবাদাতা বা সাধারণভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের অভ্যাস সম্পর্কে আভাস পাওয়া যেতে পারে। পছন্দের ভাষা ও অবস্থানের তথ্য একসঙ্গে ব্যবহার করলে ভুয়া বার্তা আরও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারে।

এই তথ্যসমষ্টির সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো ব্যক্তির তথ্য অনুযায়ী সাজানো ফিশিং ও সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। কোনো আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর মিউজিক সেবার অ্যাকাউন্ট, ইমেইল ঠিকানা ও প্রোফাইলের বিস্তারিত তথ্য জেনে সাবস্ক্রিপশন, অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা, পেমেন্ট নবায়ন বা প্রচারণা নিয়ে ভুয়া বার্তা তৈরি করতে পারে। সেবাটির আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি বলে মনে হয় এমন বার্তা ব্যবহারকারীকে ভুয়া লগইন পৃষ্ঠায় নিয়ে যেতে পারে বা পেমেন্টের তথ্য চাওয়া ফর্ম পূরণে প্রলুব্ধ করতে পারে। পাসওয়ার্ড ফাঁস না হলেও ইমেইল ঠিকানা ও প্রোফাইলের তথ্য অন্য তথ্যসমষ্টির সঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহার করলে ঝুঁকি বাড়ে। তাই Deezer-এর এই ফাঁসকে এমন একটি রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করা উচিত, যাতে পাসওয়ার্ড নেই, কিন্তু ব্যবহারকারীকে অনুসরণ করা ও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে প্রতারণার ক্ষেত্রে কার্যকর তথ্য রয়েছে।

যাচাইকৃত পরিধি ও সীমা

যাচাইকৃত পরিধি 22,90,37,936টি অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সম্পর্কিত। তথ্যের তারিখ 22 এপ্রিল 2019, যুক্ত করার তারিখ 2 জানুয়ারি 2023 এবং হালনাগাদের তারিখ 9 ডিসেম্বর 2025। প্রকাশিত তথ্য মূলত অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল ও যোগাযোগের শনাক্তকারী তথ্য নিয়ে গঠিত। যাচাইকৃত তথ্যের মধ্যে পাসওয়ার্ড, পেমেন্ট কার্ড, ব্যাংকের বিবরণ বা সক্রিয় সাবস্ক্রিপশনের পেমেন্টের বিবরণ নেই। Deezer জানিয়েছে, সাবেক একটি সেবাদাতার কাছে থাকা তথ্যের কপির অপব্যবহারে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তাদের মূল সিস্টেমগুলো প্রভাবিত হয়নি। অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পদক্ষেপগুলোর অগ্রাধিকার সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ।

পরিধির সীমা স্পষ্ট থাকলে ব্যবহারকারী ঝুঁকি সম্পর্কে ভুল ধারণা পান না। এই ঘটনায় তথ্য ফাঁস হয়েছে বলে পাসওয়ার্ড রিসেট করাকে বাধ্যতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়, কারণ যাচাইকৃত তথ্যের ধরনগুলোর মধ্যে পাসওয়ার্ড নেই। তবুও একই ইমেইল ঠিকানা থেকে আসা ভুয়া বার্তার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। জন্মতারিখ, নাম, অবস্থান ও ব্যবহারকারীর নামের মতো তথ্য পরিচয় যাচাইয়ের প্রশ্ন, সহায়তা পাওয়ার জন্য যোগাযোগ বা অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়ায় অপব্যবহার করা হতে পারে। তাই সরাসরি পাসওয়ার্ডের নিরাপত্তা ভঙ্গের চেয়ে ফিশিং, ভুয়া সহায়তা বার্তা, সাবস্ক্রিপশন-সংক্রান্ত প্রতারণা ও ব্যক্তিগত প্রোফাইলের তথ্য মিলিয়ে দেখার ক্ষেত্রেই ঝুঁকি বেশি।

যেসব ব্যবহারকারী ঝুঁকিতে আছেন

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন যারা Deezer অ্যাকাউন্টে নিজের প্রকৃত নাম, প্রধান ইমেইল ঠিকানা ও বর্তমান অবস্থানের তথ্য ব্যবহার করেন। সেবাটির নামে তৈরি ভুয়া বিল, সাবস্ক্রিপশন নবায়ন, ফ্যামিলি প্ল্যান, বিনামূল্যে পরীক্ষামূলক ব্যবহার বা অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বার্তায় এসব ব্যবহারকারীর প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি হতে পারে। যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, কেনাকাটা, গেমিং বা কাজের অ্যাকাউন্টে একই ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করেন, তাদের ঝুঁকিও বাড়ে, কারণ আক্রমণকারীরা একই ঠিকানার মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে দেখতে পারে। মিউজিক সেবার প্রচারণা, বিশেষ অফার ও পেমেন্ট-সংক্রান্ত বার্তা ব্যবহারকারীদের দ্রুত সাড়া দিতে উৎসাহিত করতে পারে বলে ফিশিংয়ের কৌশল আরও কার্যকর হয়ে উঠতে পারে।

দ্বিতীয় ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীতে আছেন যারা পুরোনো Deezer অ্যাকাউন্ট আর ব্যবহার করেন না, কিন্তু একই ইমেইল ঠিকানা সক্রিয় রেখেছেন। অব্যবহৃত অ্যাকাউন্টের কথা সাধারণত মানুষ ভুলে যান, কিন্তু ফাঁস হওয়া ইমেইল ও প্রোফাইলের তথ্য আক্রমণকারীদের কাছে তখনও মূল্যবান থাকে। ফ্যামিলি প্ল্যান ব্যবহারকারীরা শিশু বা পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ইমেইল ঠিকানার মাধ্যমেও আক্রমণকারীদের লক্ষ্য হতে পারেন। যারা প্রতিষ্ঠানের ইমেইল ঠিকানা দিয়ে মিউজিক সেবার অ্যাকাউন্ট খোলেন, তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঘটনা থেকে কর্মক্ষেত্রের পরিচয়কে লক্ষ্য করে ভুয়া বার্তা তৈরি হতে পারে। তাই ঝুঁকি মূল্যায়ন শুধু Deezer অ্যাকাউন্টে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়; একই ইমেইল ঠিকানার সঙ্গে যুক্ত অন্য অ্যাকাউন্টগুলোও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

জরুরি করণীয়

ব্যবহারকারীদের প্রথমে ব্রাউজারে সরাসরি ডোমেইন নাম লিখে অথবা বিশ্বস্ত মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে Deezer অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা উচিত। ইমেইলের লিংক ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা, পেমেন্ট নবায়ন বা সাবস্ক্রিপশনের সেটিংসে যাওয়া উচিত নয়। আসা বার্তায় প্রেরকের ডোমেইন, বানান ভুল, জরুরি পদক্ষেপের তাগিদ এবং পেমেন্টের তথ্য চাওয়া ফর্ম সতর্কভাবে পরীক্ষা করা উচিত। পাসওয়ার্ড ফাঁস হয়েছে বলে নিশ্চিত না হলেও একই পাসওয়ার্ড দীর্ঘদিন ব্যবহার করা হয়ে থাকলে বা অন্য অ্যাকাউন্টেও ব্যবহার করা হলে শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র পাসওয়ার্ড বেছে নেওয়া যুক্তিসংগত। Deezer অ্যাকাউন্টের মতো একই ইমেইল ঠিকানার সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলোতে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করা উচিত।

সন্দেহজনক বার্তা পেলে কোনো লিংকে ক্লিক করার আগে সেবাটির আনুষ্ঠানিক লগইন পৃষ্ঠা থেকে সাবস্ক্রিপশনের অবস্থা যাচাই করা উচিত। পেমেন্টের তথ্য চায় বা কার্ড নবায়নের অজুহাত ব্যবহার করে এমন বার্তাও পরীক্ষা করা উচিত, কারণ এই ফাঁসে পেমেন্টের তথ্য না থাকলেও আক্রমণকারীরা পেমেন্টের বিষয় নিয়ে ফিশিং বার্তা তৈরি করতে পারে। ইমেইল অ্যাকাউন্টের লগইনের ইতিহাস, পুনরুদ্ধারের বিকল্প ও সংযুক্ত ডিভাইসগুলো পরীক্ষা করা উচিত। একই ইমেইল ঠিকানা দিয়ে খোলা পুরোনো অ্যাকাউন্ট থাকলে সেগুলোর জন্য স্বতন্ত্র পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা উচিত। এসব পদক্ষেপ ফাঁস হওয়া প্রোফাইলের তথ্যের প্রভাব অন্য অ্যাকাউন্টে ছড়িয়ে পড়া কঠিন করে তোলে।

দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার কৌশল

Deezer-এর ঘটনাটি দেখায় যে পাসওয়ার্ড ছাড়া অন্য তথ্য ফাঁস হলেও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। ব্যবহারকারীদের নিয়মিত পর্যালোচনা করা উচিত, বিভিন্ন সেবায় তারা কতবার একই ইমেইল ঠিকানা, একই ব্যবহারকারীর নাম ও অতিরিক্ত ব্যক্তিগত প্রোফাইলের তথ্য ব্যবহার করছেন। গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করলে বিভিন্ন ফাঁসের তথ্যের মধ্যে যোগসূত্র তৈরির ঝুঁকি কমে। নিরাপত্তার প্রাথমিক স্তর হিসেবে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন, স্বতন্ত্র পাসওয়ার্ড ও নির্ভরযোগ্য পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার বজায় রাখা উচিত। জন্মতারিখ, অবস্থান বা প্রকৃত নাম দেওয়া আবশ্যক না হলে প্রোফাইলে এসব তথ্য সীমিতভাবে শেয়ার করাই ভালো।

দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা হলো কোনো বার্তায় ব্যক্তিগত তথ্য আছে বলেই সেটিকে নির্ভরযোগ্য মনে না করা। কোনো ইমেইলে আপনার নাম, জন্মতারিখ বা অবস্থান সঠিকভাবে লেখা থাকতে পারে; এর অর্থ এই নয় যে বার্তাটি আসল। সাবস্ক্রিপশন, পেমেন্ট ও অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কাজ সব সময় সরাসরি সেবাটির আনুষ্ঠানিক পৃষ্ঠা থেকে শুরু করা উচিত। নিয়মিত পুরোনো অ্যাকাউন্টগুলো পর্যালোচনা করে অপ্রয়োজনীয়গুলো বন্ধ করা, অব্যবহৃত সদস্যপদ বাতিল করা এবং তথ্য শেয়ার করার সেটিংস পরীক্ষা করা উচিত। এতে প্রোফাইলের তথ্য থাকা পুরোনো ফাঁসগুলো নতুন প্রতারণার চেষ্টায় কম কাজে আসে।

রেকর্ড যাচাই ও ব্যবহারকারীর করণীয়

LeakData-তে Deezer যাচাইয়ের মাধ্যমে আপনার ইমেইল ঠিকানা এই তথ্য ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত কি না তা জানতে পারবেন। ফলাফলে যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রথমে আপনার ইমেইল ঠিকানায় পাঠানো Deezer, সাবস্ক্রিপশন, পেমেন্ট ও অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বার্তাগুলো সতর্কভাবে পর্যালোচনা করুন। শুধু আনুষ্ঠানিক ডোমেইন বা বিশ্বস্ত অ্যাপের মাধ্যমে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করুন। একই ইমেইল ঠিকানা দিয়ে ব্যবহার করা অন্য সেবাগুলোতে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করুন এবং আগে কোনো পাসওয়ার্ড একাধিক অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করে থাকলে স্বতন্ত্র পাসওয়ার্ড বেছে নিন। জন্মতারিখ, অবস্থান ও নামের তথ্য থাকা ভুয়া সহায়তা বার্তা সম্পর্কে বিশেষভাবে সতর্ক থাকুন।

এই ফাঁসে আপনার ইমেইল ঠিকানা না থাকলেও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অপ্রয়োজনীয়ভাবে একই প্রোফাইলের তথ্য বারবার ব্যবহার না করা নিরাপত্তার জন্য ভালো অভ্যাস। Deezer-এর তথ্য ফাঁসে পাসওয়ার্ড বা পেমেন্টের তথ্য না থাকায় সরাসরি অ্যাকাউন্ট দখলের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে সীমিত; তবে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে ফিশিং ও সাবস্ক্রিপশন-সংক্রান্ত প্রতারণার ঝুঁকি বেশি। তাই ব্যবহারকারীদের প্রধান করণীয় হলো সন্দেহজনক লিংক এড়ানো, আনুষ্ঠানিক লগইন পৃষ্ঠা ব্যবহার করা, ইমেইলের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং বিভিন্ন সেবায় একই ব্যক্তিগত তথ্যের ব্যবহার কমানো।

যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি

LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।

অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান