Facebook: তথ্য ফাঁস
Facebook-এর তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি প্রোফাইল ও যোগাযোগের তথ্যসংক্রান্ত একটি বড় ঘটনা, যার তথ্য 2021 সালের এপ্রিলে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এটি মানুষ খোঁজা ও ফোন নম্বর মেলানোর সুবিধার অপব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই সুবিধার সমস্যাটি 2019 সালের আগস্টে সমাধান করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছিল। যাচাইকৃত তথ্য অনুযায়ী, ঘটনায় প্রভাবিত অ্যাকাউন্টের সংখ্যা 50,94,58,528। এই ঘটনার মূল বিষয় হলো ফোন নম্বরের সঙ্গে আসল নাম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইলের তথ্য যুক্ত হয়ে যাওয়া। তাই ঝুঁকি শুধু ইমেইল ঠিকানা দিয়ে খোঁজ করার মধ্যে সীমিত নয়। যাঁদের ফোন নম্বর এখনো সচল এবং ব্যাংকিং, কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ব্যবহৃত হচ্ছে, তাঁদের পরিচয় মিলিয়ে শনাক্ত করা, লক্ষ্যভিত্তিক প্রতারণা এবং সহায়তার নামে ভুয়া জিজ্ঞাসার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন
8- জন্মতারিখ
- ইমেইল ঠিকানা
- নিয়োগকর্তা
- লিঙ্গ
- ভৌগোলিক অবস্থান
- নাম
- ফোন নম্বর
- সম্পর্কের অবস্থা
এই তথ্য ফাঁস সম্পর্কে
এই ঘটনাকে পাসওয়ার্ড, পেমেন্ট কার্ড, আর্থিক অ্যাকাউন্ট, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য বা ব্যক্তিগত বার্তা ফাঁসের ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। তবু ফোন নম্বর, নাম, লিঙ্গ, অবস্থান, জন্মতারিখ, সম্পর্কের অবস্থা, নিয়োগকর্তা এবং কিছু অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে ইমেইল ঠিকানা একসঙ্গে দেখা যায় বলে আক্রমণকারীরা একজন ব্যক্তি সম্পর্কে যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক তথ্য পেতে পারে। এই তথ্য SMS ফিশিং, মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে SIM বদলে নেওয়ার চেষ্টা, ভুয়া চাকরির প্রস্তাব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের অজুহাত এবং বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় এমন পরিচয় যাচাইয়ের অনুরোধে ব্যবহার করা যেতে পারে।
ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন ও ঝুঁকি
যাচাইকৃত তথ্যের ধরনগুলোর মধ্যে রয়েছে জন্মতারিখ, ইমেইল ঠিকানা, নিয়োগকর্তার তথ্য, লিঙ্গ, ভৌগোলিক অবস্থান, নাম, ফোন নম্বর এবং সম্পর্কের অবস্থা। এই তথ্যসমষ্টির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বিপুলসংখ্যক ফোন নম্বরের উপস্থিতি। ইমেইল ঠিকানা শুধু তুলনামূলকভাবে ছোট একটি অংশে দেখা যায়, সব অ্যাকাউন্টে নয়। যাচাই করা হয়নি এমন ব্যক্তিসংখ্যা, তথ্যের ক্ষেত্র এবং আক্রমণকারীদের দাবিকে জনসমক্ষে বর্ণিত এই ঘটনার পরিধির অংশ হিসেবে ধরা হয় না। ফোন নম্বর ও নাম একসঙ্গে থাকলে ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে সাজানো বার্তা, পণ্য পাঠানোর ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, ব্যাংকের সতর্কবার্তার ছদ্মবেশে পাঠানো বার্তা এবং অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের নামে প্রতারণার জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়।
জন্মতারিখ, অবস্থান ও নিয়োগকর্তার মতো তথ্য আক্রমণকারীর বার্তাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে সহায়তা করে। সম্পর্কের অবস্থা ও লিঙ্গের মতো প্রোফাইলের তথ্য সরাসরি আর্থিক অ্যাকাউন্টে প্রবেশের সুযোগ দেয় না। তবে কাকে লক্ষ্য করা হবে তা নির্ধারণ, সামাজিক চাপ সৃষ্টি এবং ব্যক্তিগতভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টায় এগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। যাচাইকৃত তথ্যের ধরনগুলোর মধ্যে পাসওয়ার্ড না থাকার অর্থ এই নয় যে ঝুঁকি দূর হয়েছে। ফোন নম্বর অপরিবর্তিত থাকলে, অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের পর্দায় বা গ্রাহকসেবার সঙ্গে যোগাযোগের সময় পরিচয় যাচাইয়ের জন্য চাওয়া কিছু তথ্য আক্রমণকারীর কাছে থাকতে পারে।
যাচাইকৃত পরিধি ও সীমা
তথ্য ফাঁসের তারিখ হিসেবে 1 আগস্ট 2019, যাচাইকৃত সংযোজনের তারিখ হিসেবে 4 এপ্রিল 2021 এবং সর্বশেষ যাচাই-সংক্রান্ত পরিবর্তনের তারিখ হিসেবে 6 এপ্রিল 2021 নথিভুক্ত রয়েছে। প্রভাবিত অ্যাকাউন্টের সংখ্যা 50,94,58,528 হিসেবে ধরা হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদে প্রাথমিক হিসাবে আরও বড় সংখ্যা দেখা যেতে পারে। এখানে ব্যবহৃত সংখ্যাটি অনুসন্ধান ও ব্যবহারকারীকে অবহিত করার পর্দায় ব্যবহারের জন্য যাচাইকৃত রেকর্ডের সংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত। ফাঁস হওয়া তথ্য প্রোফাইল ও যোগাযোগের তথ্যের মধ্যেই সীমিত। আর্থিক তথ্য, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য, ব্যক্তিগত বার্তার বিষয়বস্তু বা পাসওয়ার্ড এই ঘটনার যাচাইকৃত পরিধির অন্তর্ভুক্ত নয়।
ঘটনাটির মূল কারণ ছিল মানুষ খোঁজার একটি পুরোনো প্রক্রিয়ার অপব্যবহার, যেখানে ফোন নম্বরের সঙ্গে ব্যবহারকারীর প্রোফাইল মেলানো যেত। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল যে 2019 সালে তারা সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনেছে। তবু ঝুঁকি অতীতেই শেষ হয়ে গেছে বলে ধরে নেওয়া যায় না, কারণ 2021 সালে এই তথ্যসমষ্টি বিনা মূল্যে এবং ব্যাপকভাবে সবার নাগালে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ফোন নম্বর, নাম ও প্রোফাইলের এমন প্রাসঙ্গিক তথ্য ছিল, যা অধিকাংশ ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে বহু বছর ধরে অপরিবর্তিত ছিল। ফলে নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাব দীর্ঘদিন স্থায়ী হতে পারে।
যেসব ব্যবহারকারী বেশি ঝুঁকিতে আছেন
যাঁদের Facebook প্রোফাইলে ফোন নম্বর রয়েছে এবং যাঁরা এখনো একই নম্বর ব্যবহার করছেন, তাঁদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। যাঁরা ব্যাংকিং, ক্লাউড অ্যাকাউন্ট, ইমেইল, কর্মক্ষেত্রের সিস্টেম বা মোবাইল অপারেটরের লেনদেনে পরিচয় যাচাইয়ের উপায় হিসেবে ফোন নম্বর ব্যবহার করেন, তাঁদের আরও সতর্ক থাকা উচিত। নিয়োগকর্তা, অবস্থান বা জন্মতারিখের মতো তথ্য দেখা যায় এমন ব্যবহারকারীরাও আরও বিশ্বাসযোগ্য সামাজিক প্রকৌশলভিত্তিক প্রতারণার চেষ্টার মুখে পড়তে পারেন। যে ছোট অংশের ব্যবহারকারীদের ইমেইল ঠিকানাও ফাঁস হয়েছে, তাঁদের ঝুঁকি আরও বিস্তৃত। কারণ ফোন নম্বর ও ইমেইল একসঙ্গে দেখা গেলে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার ও পাসওয়ার্ড রিসেটের নামে প্রতারণা আরও সহজে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে চালানো যায়।
যাঁরা তাঁদের পুরোনো নম্বর অন্য কাউকে দিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের জন্যও পরোক্ষ ঝুঁকি রয়েছে। তথ্যসমষ্টিতে থাকা নম্বরটি এখন অন্য কারও হলে, নম্বরের নতুন মালিক ভুল ব্যক্তির উদ্দেশে করা কল বা পাঠানো বার্তা পেতে পারেন। আবার নম্বরটি আগে যে প্রোফাইলের সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেই প্রোফাইলের মালিকের পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। ছোট ব্যবসার মালিক, সরকারি কর্মকর্তা, কনটেন্ট নির্মাতা এবং ফোনে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এমন কর্মীদের তথ্য তুলনামূলকভাবে বেশি দৃশ্যমান থাকে বলে তাঁদের ক্ষেত্রে অপব্যবহারের চেষ্টা আরও ঘন ঘন হতে পারে।
জরুরি করণীয়
প্রথমে যাচাই করুন, কোন কোন অ্যাকাউন্টে এখনো ফোন নম্বর পরিচয় যাচাই বা অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সম্ভব হলে SMS-এর বদলে পরিচয় যাচাইয়ের অ্যাপ বা হার্ডওয়্যার নিরাপত্তা কী ব্যবহার করাকে অগ্রাধিকার দিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে কারা ফোন নম্বর খুঁজে পেতে পারেন, কারা প্রোফাইলের তথ্য দেখতে পারেন এবং অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের বিকল্পগুলো হালনাগাদ আছে কি না, তা যাচাই করা উচিত। অপরিচিত কারও কাছ থেকে আসা যাচাইকরণ কোড, ব্যাংকের সতর্কবার্তা, পণ্য সরবরাহের বার্তা, চাকরির প্রস্তাব বা সহায়তার জন্য কল করার বার্তায় কোনো লিংকে ক্লিক করার আগে সংশ্লিষ্ট সেবার আনুষ্ঠানিক যোগাযোগমাধ্যম দিয়ে আলাদাভাবে সেগুলোর সত্যতা যাচাই করুন।
মোবাইল অপারেটরের অ্যাকাউন্টে SIM প্রতিস্থাপন ও নম্বর পোর্টিংয়ের জন্য অতিরিক্ত পাসওয়ার্ড বা সেবাকেন্দ্রে সরাসরি পরিচয় যাচাইয়ের মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলে সেগুলো চালু করা উচিত। প্রভাবিত ব্যবহারকারীদের একই ইমেইল ঠিকানার সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলোতে আলাদা পাসওয়ার্ড, শক্তিশালী দুই ধাপের পরিচয় যাচাই এবং সেশন ইতিহাস পরীক্ষা করার ব্যবস্থাও গ্রহণ করা উচিত। Facebook অ্যাকাউন্টের অপরিচিত সেশনগুলো বন্ধ করুন, বিশ্বস্ত ডিভাইসের তালিকা পর্যালোচনা করুন এবং প্রোফাইলের দৃশ্যমানতা কমান। এই ঘটনায় পাসওয়ার্ড ফাঁস না হলেও আক্রমণকারীরা হাতে থাকা প্রোফাইলের তথ্যকে পাসওয়ার্ড রিসেটের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কৌশল
ফোন নম্বর যোগাযোগের একটি সুবিধাজনক মাধ্যম হলেও এটি দীর্ঘস্থায়ী পরিচয়চিহ্নের মতো কাজ করে। তাই সব সেবায় একই ফোন নম্বর দৃশ্যমান রাখার বদলে, শুধু যেসব অ্যাকাউন্টে সত্যিই প্রয়োজন সেগুলোতেই নম্বর ব্যবহার করা নিরাপদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইলে জন্মতারিখ, নিয়োগকর্তা, অবস্থান ও সম্পর্কের অবস্থার মতো তথ্যের প্রকাশ্য দৃশ্যমানতা কমানো উচিত। পেশাগত ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের জন্য ভিন্ন যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করলে একটি তথ্যসমষ্টি দিয়ে অনেকগুলো অ্যাকাউন্টের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি করা কঠিন হয়।
কর্মীদের ফোন নম্বর ও নিয়োগকর্তার তথ্য প্রতিষ্ঠানের বাইরে ছড়িয়ে পড়তে পারে, এমন সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখে প্রতিষ্ঠানের দলগুলোর সহায়তা, মানবসম্পদ ও অর্থসংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় শুধু ফোনে আসা অনুরোধের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। গ্রাহকসেবা ও হেল্পডেস্কের কাজের প্রক্রিয়ায় জন্মতারিখ, ফোন নম্বর বা ঠিকানার মতো সহজে পাওয়া যায় এমন তথ্যই পরিচয় যাচাইয়ের একমাত্র উপায় হওয়া উচিত নয়। অন্যদিকে, ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের নিয়মিত গোপনীয়তার সেটিংস পরীক্ষা করা, অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের বিকল্প হালনাগাদ করা, সন্দেহজনক SMS-এর বিষয়ে রিপোর্ট করা এবং দুই ধাপের পরিচয় যাচাই হালনাগাদ করার মতো অভ্যাসকে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার নিয়মিত চর্চায় পরিণত করা উচিত।
রেকর্ড যাচাই ও ব্যবহারকারীর করণীয়
ফলাফলের অর্থ এই নয় যে আপনার পাসওয়ার্ড ফাঁস হয়েছে বা কেউ সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করেছে। তবু আপনার ফোন নম্বরে আসতে পারে এমন লক্ষ্যভিত্তিক বার্তা, ভুয়া সহায়তার কল, SIM বদলে নেওয়ার চেষ্টা এবং অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের নামে প্রতারণা সম্পর্কে সতর্ক থাকা উচিত। অগ্রাধিকার হলো আপনার ফোন নম্বরের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলোতে দুই ধাপের পরিচয় যাচাই আরও শক্তিশালী করা, প্রোফাইলের দৃশ্যমানতা কমানো এবং অপ্রত্যাশিতভাবে আসা যাচাইকরণ কোড কারও সঙ্গে শেয়ার না করা।
যাচাইয়ের ফলাফল নেতিবাচক হলে, এর অর্থ শুধু এই তথ্যসমষ্টিতে কোনো মিল পাওয়া যায়নি। অন্য ঘটনা বা আরও সাম্প্রতিক তথ্যসমষ্টির জন্য আলাদা যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে। আপনি বহু বছর ধরে একই ফোন নম্বর ব্যবহার করে থাকলে, পুরোনো প্রোফাইলের তথ্য এখনো ছড়িয়ে থাকতে পারে, এই সম্ভাবনা মাথায় রেখে নিরাপত্তার সিদ্ধান্ত নেওয়া বেশি যুক্তিসংগত। বিশেষ করে নম্বর পরিবর্তন করে থাকলে, অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের বিকল্পগুলো থেকে পুরোনো নম্বর সরানো হয়েছে কি না এবং নতুন নম্বর শুধু প্রয়োজনীয় সেবাগুলোতে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করুন। কোন তথ্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং কোন পদক্ষেপগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত, তা ব্যবহারকারীকে উদ্বেগ না বাড়িয়ে স্পষ্টভাবে জানানোই এই পৃষ্ঠার উদ্দেশ্য।
যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি
LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।
অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান