i-Dressup তথ্য ফাঁস
i-Dressup-এর তথ্যসংক্রান্ত ঘটনা 2016 সালের মাঝামাঝি অননুমোদিত প্রবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত। তথ্য ফাঁসসংক্রান্ত প্রকাশ্য উৎস-এর বিবরণে ঘটনাটি 2016 সালের জুনে ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে তাদের কাঠামোবদ্ধ ক্যাটালগে তারিখ দেওয়া আছে 2016 সালের 15 জুলাই। Ars Technica 2016 সালের সেপ্টেম্বরে জানায়, আক্রমণকারীর বক্তব্য অনুযায়ী ডাউনলোড করতে প্রায় তিন সপ্তাহ লেগেছিল। আর FTC বলছে, পরিচালকেরা ওই প্রবেশের কথা সেপ্টেম্বরে জানতে পারেন। তাই অনুপ্রবেশ, ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারা, তথ্য বের করে নেওয়া বা প্রকাশের সুনির্দিষ্ট তারিখ হিসেবে 15 জুলাই নিশ্চিত নয়।
উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন
2- ইমেইল ঠিকানা
- পাসওয়ার্ড
এই তথ্য ফাঁস সম্পর্কে
তথ্য ফাঁসসংক্রান্ত প্রকাশ্য উৎস বলছে, তারা 21,91,565টি স্বতন্ত্র ইমেইল ঠিকানার সত্যতা যাচাই করেছে; তথ্যের ধরন হিসেবে ইমেইল ও সাধারণ পাঠ্যরূপে থাকা পাসওয়ার্ড উল্লেখ করা হয়েছে। Ars আক্রমণকারীর দাবি তুলে ধরে জানায়, তিনি 22 লাখের বেশি ইমেইল ও পাসওয়ার্ডের রেকর্ড ডাউনলোড করেছেন এবং ওই ত্রুটির কারণে ডেটাবেসের 55 লাখের বেশি এন্ট্রি উন্মুক্ত হয়ে যেতে পারত; 55 লাখ উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের যাচাইকৃত মোট সংখ্যা নয়। FTC বলছে, প্রায় 21 লাখ ব্যবহারকারীর তথ্যে প্রবেশ করা হয়েছিল এবং প্রায় 2,45,000 ব্যবহারকারী জানিয়েছিলেন যে তাঁদের বয়স 13 বছরের কম। এই সামগ্রিক ফলাফল থেকে কোনো নির্দিষ্ট ইমেইল ঠিকানা কোনো শিশুর ছিল বলে প্রতিষ্ঠিত হয় না।
স্থানীয়ভাবে অনুসন্ধানযোগ্য উপসেটে 21,88,620টি ইমেইল ডকুমেন্ট রয়েছে; পাসওয়ার্ড ও অন্যান্য তথ্যক্ষেত্র স্থানীয় অনুসন্ধানে আমদানি করা হয়নি। অনুসন্ধানের কোনো ফল কেবল এটুকুই প্রতিষ্ঠা করতে পারে যে খোঁজা ইমেইল ঠিকানাটি i-Dressup-এর বলে চিহ্নিত এই স্থানীয় উপসেটে আছে। এটি পরিচয়, সদস্যপদ, বয়স, ব্যক্তি শিশু বা অভিভাবক কি না, পাসওয়ার্ডের উপস্থিতি বা পুনর্ব্যবহার, একই রেকর্ডে তথ্যক্ষেত্রগুলোর একসঙ্গে উপস্থিতি কিংবা অপব্যবহার প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। কোনো ফল না পাওয়া কেবল স্থানীয় ইমেইল উপসেটের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কেবল যিনি স্বাধীনভাবে পুরোনো i-Dressup পাসওয়ার্ডটি জানেন এবং নিশ্চিত করেছেন যে সেটি অন্য কোথাও আবার ব্যবহার করা হয়েছিল, তাঁরই সেই পাসওয়ার্ড বদলানো উচিত।
যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি
LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।
অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান