সব তথ্য ফাঁস
২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ যাচাইকৃত গেমিং

Nival তথ্য ফাঁস

2016 সালের ফেব্রুয়ারিতে Nival প্ল্যাটফর্মে ঘটে যাওয়া তথ্য ফাঁসের ঘটনা প্রায় 15 লাখ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ঝুঁকির মুখে ফেলে। এই ঘটনায় অনুমোদনহীন ব্যক্তিরা প্রায় 15 লাখ ব্যবহারকারীর তথ্যে প্রবেশ করে। চুরি হওয়া তথ্যের মধ্যে ব্যবহারকারীদের পরিচয়ের মৌলিক বিবরণ থেকে শুরু করে তাঁদের অনলাইন আচরণ পর্যন্ত নানা ধরনের তথ্য রয়েছে। এত বড় পরিসরে তথ্য ফাঁস হলে তা পৃথক ব্যবহারকারী এবং সামগ্রিক সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

১.৫ মিলিয়ন
প্রতিবেদিত রেকর্ড
8
তথ্যের ধরন
অতি গুরুতর
গুরুতরতার মাত্রা
১০ অক্টো, ২০২৬
সর্বশেষ হালনাগাদ

নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন

এই তথ্য ফাঁসে আপনি প্রভাবিত হয়েছেন কি না যাচাই করুন

আমার ইমেইল যাচাই করুন

উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন

8
  • অ্যাভাটার
  • জন্মতারিখ
  • ইমেইল ঠিকানা
  • লিঙ্গ
  • নাম
  • কথা বলার ভাষা
  • ব্যবহারকারীর নাম
  • ওয়েবসাইটের কার্যকলাপ

এই তথ্য ফাঁস সম্পর্কে

Nival-এর এই তথ্য ফাঁসের ঘটনা বিশেষ করে তাঁদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করে, যাঁরা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্টে প্রবেশের জন্য একই তথ্য ব্যবহার করেন। আক্রমণকারীরা ফাঁস হওয়া তথ্য ব্যবহার করে অন্য অ্যাকাউন্টে প্রবেশের মাধ্যমে আরও বড় ক্ষতি করতে পারে। এই বিশ্লেষণে ঘটনার বিস্তারিত, ফাঁস হওয়া তথ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি এবং ব্যবহারকারীদের করণীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা আলোচনা করা হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো এ ধরনের সাইবার নিরাপত্তা ঘটনার সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে পাঠকদের জানানো এবং নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া।

এই নিবন্ধে আমরা Nival-এর তথ্য ফাঁসের ঘটনার পেছনের কারণ, কী ধরনের তথ্য ফাঁস হয়েছে এবং পৃথক ব্যবহারকারীদের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব গভীরভাবে পর্যালোচনা করব। পাশাপাশি, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে জরুরি ও দীর্ঘমেয়াদি যেসব সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, সেগুলোও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরব। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো পাঠকদের সচেতন করা, যাতে তাঁরা অনলাইনে রেখে যাওয়া তথ্যের চিহ্ন সুরক্ষিত রাখতে পারেন।

ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন ও ঝুঁকি

Nival প্ল্যাটফর্ম থেকে ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে নানা ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য রয়েছে। এসব তথ্য এককভাবে বা একসঙ্গে ব্যবহার করে পরিচয় চুরি থেকে শুরু করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে ফিশিং হামলা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষতিকর কাজ করা যেতে পারে। বিশেষ করে ব্যবহারকারীর নাম ও ইমেইল ঠিকানা একসঙ্গে পাওয়া গেলে তা আক্রমণকারীদের প্রাথমিক প্রবেশের পথ খুঁজে পেতে সাহায্য করে। ব্যবহারকারীদের অন্য কোন কোন প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে, তা অনুমান করতেও এই তথ্য কাজে লাগতে পারে।

ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে জন্মতারিখ ও নাম সামাজিক প্রকৌশলভিত্তিক হামলার ভিত্তি হতে পারে। আক্রমণকারীরা এই তথ্য ব্যবহার করে আরও বিশ্বাসযোগ্য প্রতারণামূলক বার্তা তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে, ইমেইল ঠিকানা স্প্যাম ও ফিশিং হামলা পৌঁছে দেওয়ার প্রধান মাধ্যম। এসব ঠিকানায় পাঠানো ক্ষতিকর ইমেইলের লক্ষ্য হলো ব্যবহারকারীদের ভুয়া ওয়েবসাইটে নিয়ে গিয়ে তাঁদের অ্যাকাউন্টে প্রবেশের তথ্য বা আর্থিক তথ্য হাতিয়ে নেওয়া। তাই ফাঁস হওয়া প্রতিটি তথ্যই যে গুরুতর নিরাপত্তাঝুঁকি বহন করে, তা বোঝা জরুরি।

  • অ্যাভাটার ও ব্যবহারকারীর নাম: এই তথ্য সাধারণত ব্যবহারকারীর অনলাইন পরিচয়ের অংশ এবং প্রোফাইল তৈরি বা সামাজিক প্রকৌশলভিত্তিক কৌশলে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • জন্মতারিখ: পরিচয় চুরির প্রাথমিক প্রশ্নোত্তর ধাপে বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে চালানো হামলায় ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • ইমেইল ঠিকানা: স্প্যাম, ফিশিং হামলা এবং অ্যাকাউন্টে প্রবেশের তথ্য পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করতে এগুলো ব্যবহার করা হয়।
  • লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য: জনমিতিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে লক্ষ্য নির্ধারণ এবং ব্যক্তিভিত্তিক সামাজিক প্রকৌশল কৌশলে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • নাম: এগুলো পরিচয় চুরির সূচনাবিন্দু এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো সহজ করে।
  • কথ্য ভাষা: ভাষার ভিত্তিতে লক্ষ্য নির্ধারণ এবং স্থানীয় প্রেক্ষাপট অনুযায়ী হামলার পরিকল্পনায় ভূমিকা রাখতে পারে।
  • ব্যবহারকারীর নাম: অন্য প্ল্যাটফর্মের অ্যাকাউন্টে ব্রুট-ফোর্স হামলার প্রাথমিক চেষ্টায় এগুলো ব্যবহার করা হয়।
  • ওয়েবসাইটে কার্যকলাপ: ব্যবহারকারীর আগ্রহ, আচরণ ও দুর্বলতা প্রকাশ করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে চালানো হামলাকে আরও কার্যকর করতে পারে।

যাচাইকৃত পরিসর ও ব্যবহারকারীদের ওপর প্রভাব

Nival-এর নিবন্ধনসংক্রান্ত মূল্যায়ন অযাচাইকৃত আক্রমণপদ্ধতির অনুমানের বদলে নথিভুক্ত তথ্যের শ্রেণির ভিত্তিতে করা উচিত। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হিসেবে অ্যাভাটার, জন্মতারিখ, ইমেইল ঠিকানা, লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য, পূর্ণ নাম, কথ্য ভাষা, ব্যবহারকারীর নাম এবং ওয়েবসাইটে কার্যকলাপ নথিভুক্ত রয়েছে। এই পরিসরকে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ দখল, ফিশিং, প্রোফাইল মেলানো, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিবেচনা করা উচিত। নিশ্চিত করা হয়নি এমন বিবরণ যাচাইকৃত ঘটনার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

প্রায় 15 লাখ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যে অনুমোদনহীন প্রবেশ ঘটনাটির গুরুতরতা বাড়িয়ে দেয়। ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে অ্যাভাটার, জন্মতারিখ, ইমেইল ঠিকানা, লিঙ্গ, নাম, যে ভাষাগুলোতে কথা বলেন, ব্যবহারকারীর নাম এবং ওয়েবসাইটে কার্যকলাপ-এর মতো সংবেদনশীল তথ্য রয়েছে। এই বিস্তারিত তথ্যসমষ্টি আক্রমণকারীদের ব্যবহারকারীদের সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ প্রোফাইল তৈরির সুযোগ দেয়। মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে তথ্য ফাঁসের ঘটনা সাধারণত সিস্টেমের অজানা বা এখনও সংশোধন করা হয়নি এমন নিরাপত্তা দুর্বলতা কাজে লাগানোর (এক্সপ্লয়ট) কারণে ঘটে। এসব দুর্বলতা অনুমোদনহীন প্রবেশের সুযোগ দেয়, যার মাধ্যমে ডেটাবেসে অনুপ্রবেশ করা সম্ভব হয়।

ঘটনাটি কখন নজরে আসে বা ঠিক কীভাবে এর সূত্রপাত হয়, তা উল্লেখ করা হয়নি। তবে এ ধরনের নিরাপত্তা লঙ্ঘন সাধারণত নিয়মিত নিরাপত্তা নিরীক্ষা, অস্বাভাবিক কার্যকলাপ শনাক্তকারী ব্যবস্থা বা আক্রমণকারীদের সরাসরি তথ্য ফাঁসের চেষ্টার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। কোনো কোম্পানি এমন ঘটনার মুখোমুখি হলে তাকে অবিলম্বে ক্ষতির পরিমাণ সীমিত করা, নিরাপত্তার ফাঁক বন্ধ করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবহারকারীদের জানানোর মতো পদক্ষেপ নিতে হয়। তথ্য ফাঁসের সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত থাকতে অ্যাকাউন্টে প্রবেশের জন্য শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র তথ্য ব্যবহার করা এবং নিয়মিত অ্যাকাউন্টের কার্যকলাপ পরীক্ষা করা উচিত। যাঁরা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একই লগইন তথ্য ব্যবহার করেন, তাঁদের সব অ্যাকাউন্ট পর্যালোচনা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা হালনাগাদ করার জোরালো পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ঝুঁকিতে থাকা ব্যবহারকারী গোষ্ঠী

Nival প্ল্যাটফর্মের তথ্য ফাঁসের ঘটনা বিশেষ করে তাঁদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করে, যাঁরা একাধিক অনলাইন সেবায় একই অ্যাকাউন্ট লগইন তথ্য ব্যবহার করেন। এসব ব্যবহারকারী আক্রমণকারীদের সহজ লক্ষ্য হয়ে ওঠেন। আক্রমণকারীরা ফাঁস হওয়া ইমেইল ঠিকানা ও ব্যবহারকারীর নাম ব্যবহার করে অন্যান্য জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্টের লগইন তথ্য রিসেট করার বা লগইন করার চেষ্টা করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ফিশিং ও সামাজিক প্রকৌশলভিত্তিক হামলা বেড়ে যায়।

প্ল্যাটফর্মের সেবার ধরন অনুযায়ী ঝুঁকি ভিন্ন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, Nival যদি গেম বা বিনোদনকেন্দ্রিক প্ল্যাটফর্ম হয়, তাহলে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত পছন্দ ও অনলাইন আচরণসংক্রান্ত তথ্য ফাঁস হয়ে থাকতে পারে। এই তথ্য নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন দেখাতে বা ব্যক্তিভিত্তিক প্রতারণার কৌশলে ব্যবহার করা যেতে পারে। পরবর্তী পর্যায়ের হুমকির মধ্যে রয়েছে স্প্যাম বা ফিশিং প্রচারাভিযানে চুরি হওয়া ইমেইল ঠিকানার আরও ব্যাপক ব্যবহার। এ ধরনের তথ্য ফাঁসের সবচেয়ে স্পষ্ট পরিণতিগুলোর মধ্যে আর্থিক ক্ষতি ও সুনামহানি রয়েছে।

ব্যবহারকারীদের ডিজিটাল পরিচয় গঠন করে এমন তথ্য পুরোপুরি হাতিয়ে নেওয়া হলে তাঁদের অনলাইন ও অফলাইন, উভয় জীবনেই গুরুতর ক্ষতি হতে পারে। তাই নিজের তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর আগাম উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে সংবেদনশীল তথ্য, যেমন জন্মতারিখ বা ঠিকানা ফাঁস হলে পরিচয় চুরির ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

জরুরি করণীয়

  1. অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা যাচাই: আপনি যদি মনে করেন যে এই তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন, তাহলে প্রথমেই জরুরি ভিত্তিতে আপনার Nival অ্যাকাউন্টের লগইন তথ্য পরিবর্তন করুন। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, যেসব অনলাইন অ্যাকাউন্টে আপনি Nival অ্যাকাউন্টের মতো একই বা কাছাকাছি লগইন তথ্য ব্যবহার করেন, সেগুলোর লগইন তথ্যও অবিলম্বে হালনাগাদ করুন। শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র লগইন তথ্য তৈরির জন্য বড় ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন মিলিয়ে অন্তত 12টি অক্ষর ব্যবহার করুন।
  2. দুই-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণ (2FA): আপনি যেসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন, সেগুলোর সবকটিতে দুই-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণ (2FA) চালু করুন। নিরাপত্তার এই অতিরিক্ত স্তর আপনার লগইন তথ্য চুরি হলেও অ্যাকাউন্টে অনুমোদনহীন প্রবেশ অনেকাংশে ঠেকায়। সাধারণত মোবাইল ফোনে পাঠানো SMS কোড বা প্রমাণীকরণ অ্যাপের মাধ্যমে এই সুবিধা দেওয়া হয়।
  3. অ্যাকাউন্টের কার্যকলাপ যাচাই: আপনার সঙ্গে সংযুক্ত বা একই তথ্য ব্যবহার করা হয় এমন অন্য অ্যাকাউন্টগুলোতে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করুন। অস্বাভাবিক লগইন, পোস্ট করা বা অচেনা লেনদেন নজরে এলে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
  4. ফিশিং হামলা সম্পর্কে সতর্ক থাকুন: আক্রমণকারীরা ফাঁস হওয়া ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করে আরও বিশ্বাসযোগ্য ভুয়া ইমেইলের মাধ্যমে আপনাকে প্রতারিত করার চেষ্টা করতে পারে। অজানা বা সন্দেহজনক উৎস থেকে আসা ইমেইলের লিংকে ক্লিক করা এড়িয়ে চলুন এবং কোনো তথ্য দেওয়ার আগে ইমেইলটি আসল কি না, তা যাচাই করুন।
  5. ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার সময় সতর্ক থাকুন: অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার সময় খুব সতর্ক থাকুন, বিশেষ করে যেসব সাইটের ওপর আস্থা রাখা যায় কি না, সে বিষয়ে আপনি নিশ্চিত নন। অপ্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করা এড়িয়ে চলুন।

দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার কৌশল

সাইবার নিরাপত্তা একবারের ব্যবস্থা নেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এতে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদে তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহারকারীদের কিছু কৌশল গ্রহণ করতে হবে। পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করলে প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা ও জটিল লগইন তথ্য তৈরি করা এবং সেগুলো নিরাপদে সংরক্ষণ করা সহজ হয়। এই সরঞ্জামগুলো ভুলে যাওয়ার কারণে তৈরি হতে পারে এমন ঝুঁকি দূর করে।

নিয়মিত নিরাপত্তা নিরীক্ষা ও হালনাগাদ সিস্টেমের সম্ভাব্য দুর্বলতা আগেভাগে শনাক্ত করতে সাহায্য করে। তথ্যের পরিমাণ ন্যূনতম রাখার নীতি অনুযায়ী, ব্যবহারকারীদের অপ্রয়োজনীয় প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট তৈরি করা এড়িয়ে চলা এবং বিদ্যমান অ্যাকাউন্ট থেকে অপ্রয়োজনীয় তথ্য সরিয়ে ফেলা উচিত। নিরাপত্তা সফটওয়্যার, অ্যান্টিভাইরাস ও অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার, হালনাগাদ রাখা এবং নিয়মিত স্ক্যান করাও ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণে অংশ নিলে ব্যবহারকারীরা নতুন হুমকি সম্পর্কে জানতে এবং নিজেদের আরও ভালোভাবে সুরক্ষিত রাখতে পারেন।

এসব ব্যবস্থা ব্যবহারকারীদের অনলাইনে রেখে যাওয়া তথ্যের চিহ্ন সুরক্ষিত রাখতে এবং তথ্য ফাঁসের ঘটনার নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করবে। মনে রাখা উচিত, সাইবার নিরাপত্তা একটি ব্যক্তিগত দায়িত্ব এবং আগাম উদ্যোগ নেওয়াই সর্বদা সেরা প্রতিরক্ষা। এসব কৌশল ভবিষ্যতে সম্ভাব্য তথ্য ফাঁসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াবে।

আপনার তথ্য যাচাই করুন

Nival-এর নিবন্ধনসংক্রান্ত মূল্যায়ন অযাচাইকৃত আক্রমণপদ্ধতির অনুমানের বদলে নথিভুক্ত তথ্যের শ্রেণির ভিত্তিতে করা উচিত। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হিসেবে অ্যাভাটার, জন্মতারিখ, ইমেইল ঠিকানা, লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য, পূর্ণ নাম, কথ্য ভাষা, ব্যবহারকারীর নাম এবং ওয়েবসাইটে কার্যকলাপ নথিভুক্ত রয়েছে। এই পরিসরকে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ দখল, ফিশিং, প্রোফাইল মেলানো, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিবেচনা করা উচিত। নিশ্চিত করা হয়নি এমন বিবরণ যাচাইকৃত ঘটনার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

Nival-এর নিবন্ধনসংক্রান্ত মূল্যায়ন অযাচাইকৃত আক্রমণপদ্ধতির অনুমানের বদলে নথিভুক্ত তথ্যের শ্রেণির ভিত্তিতে করা উচিত। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হিসেবে অ্যাভাটার, জন্মতারিখ, ইমেইল ঠিকানা, লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য, পূর্ণ নাম, কথ্য ভাষা, ব্যবহারকারীর নাম এবং ওয়েবসাইটে কার্যকলাপ নথিভুক্ত রয়েছে। এই পরিসরকে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ দখল, ফিশিং, প্রোফাইল মেলানো, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিবেচনা করা উচিত। নিশ্চিত করা হয়নি এমন বিবরণ যাচাইকৃত ঘটনার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

যাচাইকৃত তথ্যের পরিসর

Nival-এর নিবন্ধনের জন্য যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো অ্যাভাটার, জন্মতারিখ, ইমেইল ঠিকানা, লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য, পূর্ণ নাম, কথ্য ভাষা, ব্যবহারকারীর নাম এবং ওয়েবসাইটে কার্যকলাপের মধ্যে সীমিত। তাই অ্যাকাউন্টের গোপন কী ফাঁস হয়েছে বলে ধরে নেওয়ার বদলে পরিচয়, যোগাযোগ, প্রোফাইল, অবস্থান, আচরণ বা সরকারি রেকর্ডসংক্রান্ত তথ্য থেকে তৈরি হওয়া ঝুঁকির ওপর মূল্যায়নে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি

LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।

অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান