সব তথ্য ফাঁস
১ জুলাই, ২০১৬ যাচাই করা হয়নি অন্যান্য

OshoWorld তথ্য উন্মুক্ত হওয়ার অভিযোগ

OshoWorld-এর তথ্য ফাঁস 2016 সালের জুলাইয়ের একটি নিরাপত্তা ঘটনা। oshoworld.com ডোমেইনের সঙ্গে যুক্ত তথ্যসমৃদ্ধ ও আধ্যাত্মিক বিষয়বস্তুর প্ল্যাটফর্মটির প্রেক্ষাপটে ঘটনাটি তদন্ত করা হয়েছে। সরাসরি সমর্থিত প্রকাশ্য রেকর্ড অনুযায়ী, 57,099 অ্যাকাউন্ট প্রভাবিত হওয়ার এই ঘটনাকে একটি একক রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন ইমেইল ঠিকানা ও সাধারণ পাঠ্যরূপে সংরক্ষিত পাসওয়ার্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ব্যবহারকারীকে বিভ্রান্ত করা এড়াতে যেসব অতিরিক্ত তথ্যক্ষেত্রের পক্ষে সমর্থন নেই বলে মনে হয়েছে বা অসংগতি দেখা গেছে, সেগুলো এই রেকর্ডে যোগ করা হয়নি।

৫৭.১ হাজার
ইমেইল শনাক্তকারী
2
তথ্যের ধরন
মাঝারি
তথ্য উন্মুক্ত হওয়ার পরিসর
১০ অক্টো, ২০২৬
সর্বশেষ হালনাগাদ

নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন

এই তথ্য ফাঁসে আপনি প্রভাবিত হয়েছেন কি না যাচাই করুন

আমার ইমেইল যাচাই করুন

উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন

2
  • ইমেইল ঠিকানা
  • পাসওয়ার্ড

এই রেকর্ড সম্পর্কে

ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন ও ঝুঁকি

OshoWorld-এর রেকর্ড প্রস্তুত করার সময় একই ডোমেইন নামের অধীনে পাওয়া বিদ্যমান রেকর্ড, ঘটনার তারিখ, রেকর্ডের সংখ্যা, তথ্যের ধরন, ডোমেইনের বর্তমান অবস্থা এবং কাছাকাছি নামের রেকর্ডগুলো একে একে পরীক্ষা করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারী যেন অনুসন্ধান করে প্রকৃত ঘটনাটি খুঁজে পান এবং একই তথ্যের জন্য তথ্য ফাঁসের আরেকটি সদৃশ রেকর্ড তৈরি না হয়। ডোমেইনটি চালু রয়েছে এবং এর অফিশিয়াল ফ্যাভিকন অ্যাক্সেস করা যাচ্ছে বলে এটিকে বন্ধ হয়ে যাওয়া ডোমেইন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট তালিকায় 57,531টি সারি দেখা গেলেও সরাসরি সমর্থিত প্রকাশ্য রেকর্ডে 57,099টি রেকর্ডের পক্ষে সমর্থন পাওয়া গেছে। বিভিন্ন তালিকায় দেখা অমিলের কারণ হতে পারে কাঁচা তথ্যের সারি, স্বতন্ত্র তথ্যের গণনা এবং পরিশোধিত রেকর্ডের সংখ্যার পার্থক্য। তাই এখানে সর্বোচ্চ সংখ্যাকে ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়নি; বরং যে সংখ্যার পক্ষে সরাসরি সমর্থন রয়েছে এবং যেটিকে তথ্যের ধরনগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে বোঝা যায়, সেটিই নেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার প্রধান ঝুঁকি হলো ইমেইল ঠিকানা বা ব্যবহারকারীর নামের মতো পরিচয় শনাক্তকারী তথ্যের সঙ্গে সাধারণ পাঠ্যরূপে থাকা পাসওয়ার্ড পাওয়া যাওয়া। ব্যবহারকারী অন্য সেবায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকলে আক্রমণকারীরা স্বয়ংক্রিয় লগইন চেষ্টা, পাসওয়ার্ড রিসেটের মাধ্যমে আক্রমণ এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে ফিশিং বার্তা পাঠানোর প্রস্তুতি নিতে পারে।

যাচাইকৃত পরিসর ও সীমা

আধ্যাত্মিক বিষয়বস্তু, অনুষ্ঠান বা তথ্যের আর্কাইভের জন্য যাঁরা অ্যাকাউন্ট খুলেছেন, তাঁদের কাছে এই রেকর্ড গুরুত্বপূর্ণ, অ্যাকাউন্টটি পুরোনো মনে হলেও। ইমেইল, ব্যবহারকারীর নাম, নাম, IP ঠিকানা বা প্রোফাইলের তথ্যের মতো ক্ষেত্রগুলোর মূল্য সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যায় না। অন্য তথ্যসমষ্টির সঙ্গে মিলিয়ে এগুলো কোনো ব্যক্তির ডিজিটাল ইতিহাস আরও স্পষ্ট করে তুলতে পারে।

OshoWorld-এর ক্ষেত্রে ইমেইল ও পাসওয়ার্ডের তথ্য বিশ্বাস বা আগ্রহের ভিত্তিতে আরও লক্ষ্যভিত্তিক বার্তা তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে। এর প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট সাইটে সীমাবদ্ধ না-ও থাকতে পারে। একই ইমেইল ঠিকানা কাজ, গেমিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ফোরাম বা পেমেন্ট অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করা হলে একটির সূত্র ধরে অন্যটিতে আক্রমণের সুযোগ বাড়ে।

ঝুঁকিতে থাকা ব্যবহারকারী গোষ্ঠী

শুধু ইমেইল ঠিকানাকে কম ঝুঁকিপূর্ণ বলে ধরা হলেও, পাসওয়ার্ড বা ব্যবহারকারীর নামের সঙ্গে যুক্ত হলে তা আক্রমণের শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে। আক্রমণকারীরা লগইন চেষ্টা, ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, পুরোনো সদস্যপদ মনে করিয়ে দেওয়া বার্তা বা নিরাপত্তা সতর্কতা বলে মনে হয় এমন বার্তায় এসব ঠিকানা ব্যবহার করতে পারে।

পাসওয়ার্ডের তথ্যক্ষেত্র থাকায় OshoWorld-এর রেকর্ডটিকে অতি গুরুতর ঝুঁকির পর্যায়ে বিবেচনা করা হয়েছে। সাধারণ পাঠ্যরূপে পাসওয়ার্ড পাওয়া গেছে এমন ঘটনায় ব্যবহারকারীদের প্রথম কাজ হওয়া উচিত পুরোনো পাসওয়ার্ডটি শনাক্ত করা এবং অন্য কোন অ্যাকাউন্টে সেটি ব্যবহার করা হয়েছে তা খুঁজে বের করা। সামান্য পরিবর্তন করে পাসওয়ার্ডটি আবার ব্যবহার করা উচিত নয়।

যেসব রেকর্ডে ব্যবহারকারীর নাম থাকে, সেগুলোতে পরিচয় ও প্রোফাইল একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত করার ঝুঁকি বাড়ে। বিভিন্ন ফোরাম, গেমের অ্যাকাউন্ট বা সামাজিক প্ল্যাটফর্মে একই ডাকনাম ব্যবহার করা হলে আক্রমণকারীরা ব্যক্তির প্রোফাইলগুলো একসঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারে। তাই ব্যবহারকারীর নামকেও ব্যক্তিগত তথ্যের ঝুঁকির অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

যেসব ঘটনার পক্ষে সমর্থন রয়েছে, সেগুলোতে IP ঠিকানা, নাম বা প্রোফাইলের তথ্য থাকলে আক্রমণকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আরও প্রাসঙ্গিক তথ্য পায়। IP তথ্য থেকে আনুমানিক অবস্থান ও সংযোগ ব্যবহারের অভ্যাস সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, নাম বা প্রোফাইলের তথ্যক্ষেত্র আরও ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও বিশ্বাসযোগ্য বার্তা তৈরি করতে সহায়তা করতে পারে।

তথ্য ও কমিউনিটিভিত্তিক সাইটে নিউজলেটার, স্টোর, অনুষ্ঠান এবং ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত অংশগুলো আলাদাভাবে সুরক্ষিত রাখা উচিত। প্রতিষ্ঠানের দিক থেকে এই ঘটনা পুরোনো সফটওয়্যার উপাদান, দুর্বল পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ, অপ্রয়োজনীয় তথ্য ধরে রাখা এবং অপর্যাপ্ত প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তুলে ধরে। ডেটাবেস থেকে তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে সেই তথ্যের প্রচলন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা কার্যত অসম্ভব।

ব্যবহারকারীদের প্রথমে OshoWorld বা oshoworld.com-এ ব্যবহার করে থাকতে পারেন এমন ইমেইল ঠিকানা ও পাসওয়ার্ডের তালিকা করা উচিত। এরপর একই ধরনের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা সব অ্যাকাউন্টে নতুন ও স্বতন্ত্র পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে, সক্রিয় সেশনগুলো বন্ধ করতে হবে এবং অচেনা ডিভাইসগুলো সরিয়ে দিতে হবে।

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো দুই-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণ। অ্যাপভিত্তিক যাচাইকরণ বা নিরাপত্তা চাবি SMS-এর তুলনায় আক্রমণ প্রতিরোধে বেশি সক্ষম সুরক্ষা দেয়। সুরক্ষার ক্ষেত্রে ইমেইল অ্যাকাউন্ট, পাসওয়ার্ড ম্যানেজার, আর্থিক অ্যাকাউন্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইল এবং গেমিং অ্যাকাউন্টকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

ইমেইল অ্যাকাউন্টের ফরওয়ার্ডিং নিয়ম, সংযুক্ত অ্যাপ্লিকেশন, পুনরুদ্ধারের ঠিকানা এবং বিশ্বস্ত ডিভাইসের তালিকা পরীক্ষা করা উচিত। আক্রমণকারী সংশ্লিষ্ট সেবায় সরাসরি প্রবেশ করতে না পারলেও ইমেইল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড রিসেটের প্রক্রিয়াকে লক্ষ্য করতে পারে।

ফিশিং বার্তায় পুরোনো ব্যবহারকারীর নাম, ডোমেইন নাম, সেবার ধরন বা আগ্রহের বিষয় ব্যবহার করা হতে পারে। ব্যবহারকারীদের সরাসরি লিংকে ক্লিক না করে নিজেরা ঠিকানা লিখে সংশ্লিষ্ট সাইটে যাওয়া উচিত। যাচাই না করে সংযুক্ত ফাইল খোলা উচিত নয় এবং জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার চাপ সম্পর্কে সতর্ক থাকা উচিত।

এই ঘটনার পর নেওয়া যেতে পারে এমন সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপগুলোর একটি হলো পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করা। এলোমেলোভাবে তৈরি ও স্বতন্ত্র পাসওয়ার্ড একটি ফাঁসের প্রভাব অন্য অ্যাকাউন্টে ছড়িয়ে পড়া ঠেকায়। ব্যবহারকারীদের ব্রাউজারে সংরক্ষিত পুরোনো পাসওয়ার্ডগুলোও পর্যালোচনা করা উচিত।

সাইটের মালিকদের জন্য পাসওয়ার্ড সংরক্ষণের পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ পাঠ্যরূপে পাসওয়ার্ড রাখা বা দ্রুত ভাঙা যায় এমন হ্যাশ ফরম্যাট ব্যবহার করা সরাসরি ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা দুর্বল করে। আধুনিক অ্যাপ্লিকেশনে শক্তিশালী, ধীরগতির ও সল্টযুক্ত পাসওয়ার্ড ডেরিভেশন পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত এবং ব্যবহারকারীদের লগইনের সময় পুরোনো হ্যাশগুলো ধীরে ধীরে নবায়ন করা উচিত।

জরুরি করণীয়

অ্যাডমিন প্যানেল, ব্যাকআপ ফাইল, তথ্য রপ্তানির টুল, পরীক্ষামূলক পরিবেশ এবং পুরোনো প্লাগইন নিয়মিত নিরীক্ষা করা উচিত। তথ্য ফাঁসের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মূল অ্যাপ্লিকেশন থেকে নয়, বরং পরিবেশে থাকা ভুলে যাওয়া উপাদান বা প্রয়োজনের অতিরিক্ত অনুমতি দেওয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ঘটে।

যেসব প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ঘটনার প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা নেই, সেখানে ব্যবহারকারীদের জানানো ও পাসওয়ার্ড রিসেট করতে দেরি হয়। কোন সিস্টেম পরীক্ষা করা হবে, কোন লগ সংরক্ষণ করা হবে, কোন ব্যবহারকারীদের জানানো হবে এবং কোন সংযুক্ত উপাদানগুলো পরীক্ষা করা হবে, এসব আগে থেকেই নির্ধারণ করা উচিত।

আধ্যাত্মিক আগ্রহ ও বিষয়বস্তুভিত্তিক সদস্যপদের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের অতীতের সদস্যপদকে হালকাভাবে দেখা উচিত নয়। বিশেষ আগ্রহের কমিউনিটি, বিনোদনমূলক সাইট, তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম বা ব্যবসায়িক ডিরেক্টরির অ্যাকাউন্ট আজ গুরুত্বহীন মনে হতে পারে। কিন্তু একই ইমেইল ও পাসওয়ার্ড ব্যবহারের অভ্যাস অন্য কোথাও আরও গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

একই ঘটনা বিভিন্ন তালিকায় ভিন্ন নামে উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা ঠেকাতে প্রকৃত ডোমেইন নাম ও সরাসরি সমর্থিত ঘটনার তারিখের ভিত্তিতে এই রেকর্ডের সদৃশ এন্ট্রি বাদ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান যাচাইকৃত রেকর্ডগুলো অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে এবং যেসব ক্ষেত্রে তথ্যের পরিসর মিলে যায়, সেখানে নতুন রেকর্ড তৈরি করা হয়নি।

OshoWorld-এর তথ্য ফাঁস, oshoworld.com-এর ডেটা ফাঁস, OshoWorld-এর পাসওয়ার্ড ফাঁস এবং OshoWorld-এর ব্যবহারকারীর তথ্যের মতো বিভিন্ন নামে সরল ও কার্যকর করণীয়সহ তথ্য দেওয়ার জন্য এই পৃষ্ঠাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। লেখাটি যাচাইকৃত বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করে।

এই রেকর্ড দেখার পর ব্যবহারকারীদের শুধু সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের অ্যাকাউন্ট নয়, একই ইমেইল ঠিকানা দিয়ে খোলা অন্য অ্যাকাউন্টগুলোও পর্যালোচনা করা উচিত। বিশেষ করে যেসব অ্যাকাউন্টে পুরোনো পাসওয়ার্ড আবার ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলোই আক্রমণকারীদের প্রথম লক্ষ্য হয়।

দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কৌশল

তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ প্রয়োজনের মধ্যে সীমিত রাখা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি মৌলিক শিক্ষা। অপ্রয়োজনীয় প্রোফাইল তথ্য সংগ্রহ করা উচিত নয়। যুক্তিসংগত সংরক্ষণ নীতির আওতায় পুরোনো ও নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্টগুলো সরিয়ে ফেলা, সংবেদনশীল তথ্যক্ষেত্রে প্রবেশাধিকার সীমিত করা এবং তথ্য রপ্তানির কার্যক্রম আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

ঘটনাটি অতীতের হলেও নিরাপত্তার দিক থেকে এর গুরুত্ব রয়ে গেছে। একই পাসওয়ার্ড পুনর্ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল আক্রমণ বহু বছর পরেও সফল হতে পারে, কারণ ব্যবহারকারীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিভিন্ন সেবায় পুরোনো পাসওয়ার্ডের ধরন বজায় রাখেন। তাই পুরোনো তথ্য ফাঁসের রেকর্ডকেও বর্তমান ঝুঁকির সংকেত হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

OshoWorld-এর জন্য ব্যবহারিক করণীয়ের তালিকা হলো: পুরোনো পাসওয়ার্ড বদলান, একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা সব অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড হালনাগাদ করুন, দুই-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণ চালু করুন, ইমেইল পুনরুদ্ধারের তথ্য পরীক্ষা করুন, অচেনা সেশন বন্ধ করুন এবং সন্দেহজনক বার্তার লিংকে ক্লিক না করে সরাসরি ওয়েবসাইটের ঠিকানা ব্যবহার করুন।

নিরাপত্তা দলগুলোর আরও একটি করণীয় হলো প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন নাম ব্যবহার করে নিবন্ধন করা ব্যবহারকারীদের মূল্যায়ন করা। কোনো কর্মী পুরোনো কমিউনিটি বা সেবামূলক সাইটে কাজের ইমেইল ব্যবহার করে থাকলে, পাসওয়ার্ড পুনর্ব্যবহারের ঝুঁকি প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমেও পৌঁছাতে পারে। পরিচয় ও প্রবেশাধিকার ব্যবস্থাপনার সতর্কবার্তার মাধ্যমে এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

এই রেকর্ড থেকে অযাচাইকৃত তথ্যের ধরনগুলো সচেতনভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘতর তালিকা তৈরির চেয়ে যেসব তথ্যক্ষেত্রের পক্ষে সমর্থন রয়েছে সেগুলো স্পষ্টভাবে দেখানো ব্যবহারকারীর আস্থার জন্য বেশি মূল্যবান। তথ্য ফাঁসের পৃষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক পরিসর তুলে ধরা ও বাস্তবে অনুসরণ করা যায় এমন পরামর্শ দেওয়া, নিশ্চিত হওয়ার আবহ তৈরি করা নয়।

OshoWorld-এর ক্ষেত্রে ডোমেইন নামের বর্তমান অবস্থাও আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। নিষ্ক্রিয়, অন্য ঠিকানায় পাঠিয়ে দেয় বা ত্রুটি দেখায় এমন সাইটে ব্যবহারকারীরা তাঁদের পুরোনো অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না-ও পারেন। তবু পুরোনো পাসওয়ার্ড অন্য সেবায় ব্যবহার করা হয়ে থাকলে ঝুঁকি রয়ে যায়। চালু সাইটে ব্যবহারকারীদের সরাসরি অ্যাকাউন্টের সেটিংস ও সাম্প্রতিক সেশন পরীক্ষা করাই বেশি উপযুক্ত।

পাসওয়ার্ড ফাঁসের ক্ষেত্রে শুধু প্রযুক্তিগতভাবে পাসওয়ার্ড বদলানো নয়, ব্যবহারিক অভ্যাস বদলানোও প্রয়োজন। ব্যবহারকারী একই ধরন বজায় রাখলে পুরোনো ফাঁস হওয়া তথ্য থেকে নতুন পাসওয়ার্ড অনুমান করা যেতে পারে। তাই পাসওয়ার্ডে ব্র্যান্ডের নাম, জন্মসাল, দলের নাম, পছন্দের খাবার, ব্যবহারকারীর নাম বা সহজে অনুমানযোগ্য সংযোজন ব্যবহার করা উচিত নয়।

অতীতে কাজের ইমেইল দিয়ে OshoWorld অ্যাকাউন্ট খোলা হয়ে থাকলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ঝুঁকিটি আরও সতর্কভাবে বিবেচনা করা উচিত। ব্যক্তিগত সাইটে কর্মীর ব্যবহার করা পাসওয়ার্ড প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমেও চেষ্টা করা হতে পারে। তাই পাসওয়ার্ড পুনর্ব্যবহার শনাক্তকারী নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ এবং বহু-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণ নীতি গুরুত্বপূর্ণ।

রেকর্ড যাচাই ও ব্যবহারকারীর করণীয়

এ ধরনের রেকর্ড দেখা ব্যবহারকারীদের জন্য আতঙ্কিত হওয়ার কারণ না হয়ে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত পরিচর্যা সম্পন্ন করার সুযোগ হওয়া উচিত। পুরোনো ও ভুলে যাওয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা, অপ্রয়োজনীয় সদস্যপদ মুছে ফেলা, পুনরুদ্ধারের ঠিকানা হালনাগাদ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে লগইন বিজ্ঞপ্তি চালু করা দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা দেয়।

সারসংক্ষেপে, OshoWorld-এর তথ্য ফাঁস একটি উল্লেখযোগ্য নিরাপত্তা ঘটনা, যা 2016 সালের জুলাইয়ে 57,099টি অ্যাকাউন্টকে প্রভাবিত করেছিল এবং এতে ইমেইল ঠিকানা ও সাধারণ পাঠ্যরূপে সংরক্ষিত পাসওয়ার্ডের তথ্যক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত ছিল। ব্যবহারকারীদের স্বতন্ত্র পাসওয়ার্ড ব্যবহার, দুই-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণ চালু, ইমেইলের নিরাপত্তা সেটিংস পরীক্ষা এবং সন্দেহজনক লগইনের সতর্কবার্তা পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি

LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।

অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান