সব তথ্য ফাঁস
১ ডিসেম্বর, ২০২০ যাচাই করা হয়নি সংবেদনশীল রেকর্ড অন্যান্য

Serasa Experian ব্রাজিল (2020) তথ্য ফাঁস

ব্রাজিলে Serasa Experian-এর 2020 সালের তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি ব্রাজিলের নাগরিকদের পরিচয়সংক্রান্ত ব্যক্তিগত তথ্যের একটি বড় আকারের ফাঁস। এতে 22,37,39,215 জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাটি 2020 সালের শেষ দিকে ঘটে এবং 2021 সালের জানুয়ারিতে জনসমক্ষে আসে। তথ্যসমষ্টিটি Serasa Experian-এর নামে পরিচিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ক্রেডিট ব্যুরো ও ডেটা ব্রোকারেজ খাতে কাজ করে। তবে ঘটনাটির উৎস সরাসরি প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব সিস্টেম কি না, তা নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তাদের সিস্টেমে অনুপ্রবেশের কোনো প্রমাণ নেই। অন্যদিকে, ভোক্তা সুরক্ষা সংস্থা ও নিরাপত্তা গবেষকেরা বলেছেন, তথ্যের ব্যাপ্তি বিবেচনায় ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। তাই ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার জন্য এই রেকর্ডকে উচ্চ ঝুঁকির তথ্য ফাঁস হিসেবে বিবেচনা করা উচিত, তবে মনে রাখতে হবে যে এর যাচাইয়ের মাত্রা সীমিত।

২২৩.৭ মিলিয়ন
ইমেইল শনাক্তকারী
4
তথ্যের ধরন
অতি গুরুতর
তথ্য উন্মুক্ত হওয়ার পরিসর
১০ অক্টো, ২০২৬
সর্বশেষ হালনাগাদ

নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন

এই তথ্য ফাঁসে আপনি প্রভাবিত হয়েছেন কি না যাচাই করুন

আমার ইমেইল যাচাই করুন

উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন

4
  • নাম
  • জন্মতারিখ
  • লিঙ্গ
  • সরকার কর্তৃক ইস্যু করা পরিচয়পত্র

এই রেকর্ড সম্পর্কে

ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন ও ঝুঁকি

যাচাইকৃত তথ্যের ধরন হলো নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ এবং সরকার-প্রদত্ত পরিচয় নম্বর। ব্রাজিলের প্রেক্ষাপটে CPF-এর মতো পরিচয় নম্বর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো ব্যক্তির আর্থিক, প্রশাসনিক ও ডিজিটাল লেনদেনে প্রধান পরিচয় শনাক্তকারী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নাম, জন্মতারিখ ও লিঙ্গের তথ্যের সঙ্গে এসব নম্বর মিলিয়ে এমন একটি বিস্তারিত প্রোফাইল তৈরি করা যায়, যা পরিচয় যাচাই, প্রতারণা ও ভুয়া আবেদনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা সম্ভব। পাসওয়ার্ড বা পেমেন্ট কার্ডের তথ্য ফাঁসের বিষয়টি যাচাই করা না হলেও এই ধরনের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি করে, কারণ বছরের পর বছর এগুলো অপরিবর্তিত থাকে।

পরিচয় নম্বর থাকা তথ্য ফাঁসের ঘটনা সাধারণ অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড ফাঁসের চেয়ে আলাদা। পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা যায়, কিন্তু বেশির ভাগ মানুষের পরিচয় নম্বর ও জন্মতারিখ স্থায়ী। এসব তথ্য প্রতারণামূলক ঋণের আবেদন, অ্যাকাউন্ট খোলা, আর্থিক প্রতারণা, সামাজিক প্রকৌশল, ভুয়া গ্রাহকসেবা কল এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ে প্রতারণার মতো আক্রমণে ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া অন্য তথ্যসমষ্টির সঙ্গে মিলিয়ে নাম, জন্মতারিখ ও লিঙ্গের তথ্য থেকে কোনো ব্যক্তির ঠিকানা, ফোন নম্বর, আয় বা সামাজিক প্রোফাইলের তথ্যের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। তাই পাসওয়ার্ড না থাকলেও ব্রাজিলে Serasa Experian-এর 2020 সালের এই রেকর্ড সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্যের ঝুঁকি বহন করে।

যাচাইকৃত পরিধি ও সীমাবদ্ধতা

রেকর্ড পর্যায়ে যাচাইকৃত পরিধি 22,37,39,215 জন ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। তথ্যগুলোর সময়কাল 2020 সালের শেষ এবং সেগুলো জনসমক্ষে আসার সময় 2021 সালের জানুয়ারি বলে ধরা হয়েছে। যাচাইকৃত প্রধান তথ্যক্ষেত্রগুলো হলো নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ ও পরিচয় নম্বর। কিছু সংবাদ ও গবেষণামূলক মূল্যায়নে ঠিকানা, ফোন নম্বর, ক্রেডিট স্কোর, আয়, যানবাহনের তথ্য এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যক্ষেত্রের উল্লেখ ছিল। তবে এই তথ্যের ধরনের তালিকায় শুধু রেকর্ড পর্যায়ে যাচাই করা যায় এমন তথ্যক্ষেত্রগুলো রাখা হয়েছে। যাচাই না হওয়া তথ্যকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে ব্যবহারকারীর সামনে তুলে ধরা এড়াতে সচেতনভাবে এই পদ্ধতি বেছে নেওয়া হয়েছে।

উৎস উল্লেখের সীমাবদ্ধতার বিষয়টিও স্পষ্টভাবে জানানো উচিত। তথ্যসমষ্টিটি Serasa Experian-এর নামে ছড়িয়েছে এবং তথ্যের প্রকৃতির কারণে অনেক পর্যবেক্ষক এই প্রতিষ্ঠানটির দিকে ইঙ্গিত করেছেন। তবু প্রতিষ্ঠানটির সিস্টেমে অনুপ্রবেশ ঘটেছিল বা তথ্য সরাসরি তার ডেটাবেস থেকে এসেছিল, এর কোনোটিই নিশ্চিত হয়নি। তাই উৎসের ঘরে এটিকে যাচাই না হওয়া তথ্য ফাঁসের রেকর্ড হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত। ব্যবহারকারীর জন্য এই পার্থক্যের অর্থ ঝুঁকি কম হওয়া নয়। পরিচয় নম্বর ও জন্মতারিখের মতো স্থায়ী তথ্য জড়িত থাকলে উৎস নিয়ে বিতর্ক থাকার কারণে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে দেরি করা যুক্তিসংগত নয়।

ঝুঁকিতে থাকা ব্যবহারকারীরা

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন ব্রাজিলের এমন ব্যক্তিরা, যাঁদের পরিচয় নম্বর, ঋণসংক্রান্ত প্রোফাইল বা ভোক্তা রেকর্ড রয়েছে। তথ্যসমষ্টিতে জীবিত ব্যক্তিদের পাশাপাশি মৃত ব্যক্তিদের রেকর্ডও থাকতে পারে বলে জানা গেছে। এতে উত্তরাধিকার, পরিবার, ফোন সংযোগ ও আর্থিক বিষয়সংক্রান্ত প্রতারণার ঝুঁকি বাড়তে পারে। সহায়তা কেন্দ্রে কল বা অনলাইন যাচাইয়ের সময় এখনো সহায়ক পরিচয় শনাক্তকারী হিসেবে পরিচয় নম্বর ও জন্মতারিখ জানতে চাওয়া হতে পারে। ফলে এসব তথ্য আক্রমণকারীকে সুবিধা দিতে পারে। কারও নামে ভুয়া আবেদন, ঋণের ভুয়া নোটিশ বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ে পাঠানো বার্তা আরও বিশ্বাসযোগ্য মনে হতে পারে।

দ্বিতীয় ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীতে আছেন এমন ব্যক্তিরা, যাঁদের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য ইমেইল, ফোন নম্বর বা ঠিকানার মাধ্যমে অন্য তথ্যসমষ্টির সঙ্গে মেলানো যায়। এই তথ্যসমষ্টিতে ইমেইল বা ফোন নম্বরকে নিশ্চিত তথ্যের ধরন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা না হলেও নাম ও পরিচয় নম্বর অন্য ফাঁস হওয়া তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে আরও বিস্তৃত প্রোফাইল তৈরি করা যেতে পারে। তাই আর্থিক সেবা ব্যবহারকারী, ঋণের আবেদনকারী, মোবাইল সংযোগের মালিক এবং সরকারি সেবা গ্রহণকারী নাগরিকদের সতর্ক থাকা উচিত। এ ছাড়া পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে পাঠানো অর্থ পরিশোধ, ঋণ, পার্সেল, স্বাস্থ্য বা সরকারি বিজ্ঞপ্তিসংক্রান্ত বার্তাতেও পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করে বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির চেষ্টা করা হতে পারে।

জরুরি করণীয়

প্রথম পদক্ষেপ হলো পরিচয় নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্যসহ আসা অপ্রত্যাশিত বার্তাগুলো আরও সতর্কভাবে যাচাই করা। ঋণ, দেনা, অর্থ পরিশোধ, সরকারি সহায়তা, কর, ব্যাংক, ফোন সংযোগ বা সরকারি নথিসংক্রান্ত বার্তা সরাসরি বিশ্বাস করা উচিত নয়। বার্তায় নাম, জন্মতারিখ বা পরিচয় নম্বর সঠিক থাকাই তার বিশ্বাসযোগ্যতার প্রমাণ নয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিকম অপারেটর বা সরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে আসা অনুরোধ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইট বা যাচাইকৃত কল সেন্টারের মাধ্যমে আলাদাভাবে যাচাই করা উচিত।

দ্বিতীয় পদক্ষেপ হলো আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা। ঋণের আবেদন, ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তি, ফোন সংযোগসংক্রান্ত লেনদেন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সতর্কবার্তাগুলোর ওপর নজর রাখা উচিত। সন্দেহজনক কোনো আবেদন বা লেনদেন চোখে পড়লে দ্রুত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে এবং সম্ভব হলে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানানোর প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। ব্যবহারকারীদের ফোনে পরিচয় নম্বর, জন্মতারিখ বা পরিবারের তথ্য জানানো উচিত নয়। একই সঙ্গে ইমেইল অ্যাকাউন্ট ও মোবাইল সংযোগের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং যেসব গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে বহু-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণের সুবিধা আছে, সেগুলোতে তা চালু করা উচিত।

দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার কৌশল

এই ধরনের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য ফাঁসের দীর্ঘমেয়াদি মোকাবিলায় শুধু পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করাই যথেষ্ট নয়। ব্যবহারকারীদের নিয়মিত নিজেদের আর্থিক লেনদেন, ঋণের আবেদন ও পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা উচিত। ব্যাংক ও টেলিকম অ্যাকাউন্টে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, বহু-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণ এবং লেনদেনের বিজ্ঞপ্তি ব্যবহার করা উচিত। অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের প্রশ্নে নিরাপত্তার উপাদান হিসেবে ID নম্বর বা জন্মতারিখের মতো অপরিবর্তনীয় তথ্য বেছে নেওয়া উচিত নয়। সম্ভব হলে অতিরিক্ত পাসওয়ার্ড, নিরাপত্তা কী বা অ্যাপভিত্তিক প্রমাণীকরণ ব্যবহার করা উচিত।

প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য শিক্ষাটি আরও স্পষ্ট: পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য থাকা তথ্যসমষ্টি সুরক্ষিত রাখতে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় প্রবেশাধিকারের নীতি অনুসরণ করতে হবে, তথ্য সংরক্ষণের সময়সীমা কমাতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় অনুলিপি সরিয়ে ফেলতে হবে। সেবাদাতা ও তথ্যের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে কোন তথ্য কোথায় ও কত দিন সংরক্ষিত হচ্ছে এবং কারা তাতে প্রবেশ করেছেন, তা নিয়মিত নিরীক্ষা করা উচিত। অন্যদিকে, ব্যক্তিগত তথ্য চায় এমন প্রতিটি নতুন সেবার সঙ্গে তথ্য ভাগ করার আগে ব্যবহারকারীদের এর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করা, অপ্রয়োজনীয় ঘর পূরণ করা এড়ানো এবং সম্ভব হলে বিজ্ঞপ্তির ব্যবস্থা চালু রাখা উচিত। স্থায়ী পরিচয়সংক্রান্ত তথ্যের ঝুঁকি কমাতে অবিরত সতর্কতা ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

রেকর্ড যাচাই ও ব্যবহারকারীর করণীয়

LeakData-তে ব্রাজিলে Serasa Experian-এর 2020 সালের ঘটনাটি যাচাই করলে আপনার তথ্য এই তথ্য ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা বুঝতে সহায়তা পাবেন। ফলাফলে আপনার তথ্যের মিল পাওয়া গেলে প্রথমেই আপনার ID নম্বরের সঙ্গে সম্পর্কিত আর্থিক ও প্রশাসনিক লেনদেন আরও ঘন ঘন পর্যবেক্ষণ করুন। ঋণ, দেনা, ফোন সংযোগ, কর, কুরিয়ার বা বিদ্যুৎ-পানি-গ্যাসের মতো পরিষেবাসংক্রান্ত অপ্রত্যাশিত বার্তার লিংকে ক্লিক করবেন না; আলাদা ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে অনুরোধটি যাচাই করুন। ফোনে বা বার্তায় আপনার ব্যক্তিগত তথ্য জানাবেন না। ব্যাংক, ইমেইল ও মোবাইল অ্যাকাউন্টে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও বহু-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণ ব্যবহার করুন।

এই তথ্য ফাঁসের ঘটনায় পাসওয়ার্ড জড়িত ছিল না বলে শুধু পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা যথেষ্ট প্রতিকার নয়। প্রধান ঝুঁকি হলো পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা ও সামাজিক প্রকৌশলে ব্যবহার করা যেতে পারে। নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ ও ID নম্বরের মতো তথ্য বহু বছর পরও ভুয়া আবেদন বা অন্যের পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টায় ব্যবহার করা সম্ভব। তাই আর্থিক বিজ্ঞপ্তি চালু রাখা, সন্দেহজনক লেনদেন দ্রুত জানানো, সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ে আসা বার্তার ব্যাপারে সতর্ক থাকা এবং ব্যক্তিগত তথ্য ভাগ করা কমানোই দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার ভিত্তি।

যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি

LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।

অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান