সব তথ্য ফাঁস
১ নভেম্বর, ২০১৭ যাচাই করা হয়নি সংবেদনশীল রেকর্ড অন্যান্য

Service Tax Online: তথ্য উন্মুক্ত হওয়ার অভিযোগ

Service Tax Online-এর তথ্য ফাঁস 2017 সালের নভেম্বরের একটি নিরাপত্তাজনিত ঘটনা। servicetaxonline.com ডোমেইনের সঙ্গে যুক্ত করবিধি প্রতিপালন ও অনলাইন ব্যবসায়িক সেবার ওয়েবসাইটের প্রেক্ষাপটে ঘটনাটি পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রকাশিত রেকর্ডে সরাসরি সমর্থন পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, 58,948 অ্যাকাউন্টকে প্রভাবিত করা একক ঘটনা হিসেবে এই রেকর্ডটি রাখা হয়েছে। ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন শুধু ইমেইল ঠিকানা ও প্লেইনটেক্সট পাসওয়ার্ডের মধ্যে সীমিত। ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত না করতে, যেসব অতিরিক্ত তথ্যক্ষেত্রের পক্ষে স্বতন্ত্র সমর্থন নেই বা যেগুলো পরস্পরবিরোধী বলে মনে হয়, সেগুলো এই রেকর্ডে যোগ করা হয়নি।

৫৮.৯ হাজার
ইমেইল শনাক্তকারী
2
তথ্যের ধরন
মাঝারি
তথ্য উন্মুক্ত হওয়ার পরিসর
১০ অক্টো, ২০২৬
সর্বশেষ হালনাগাদ

নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন

এই তথ্য ফাঁসে আপনি প্রভাবিত হয়েছেন কি না যাচাই করুন

আমার ইমেইল যাচাই করুন

উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন

2
  • ইমেইল ঠিকানা
  • পাসওয়ার্ড

এই রেকর্ড সম্পর্কে

ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন ও ঝুঁকি

Service Tax Online-এর রেকর্ড প্রস্তুত করার সময় বিদ্যমান রেকর্ডগুলোর মধ্যে অনুরূপ রেকর্ড, একই ডোমেইন নামে আগে দেখা ঘটনা, রেকর্ডের সংখ্যা, ঘটনার তারিখ, তথ্যের ধরন, ডোমেইনের অবস্থা এবং ব্র্যান্ডের প্রেক্ষাপট একসঙ্গে যাচাই করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে পৃথক ঘটনাগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরা যায়, আবার একই ডেটাসেট দুবার যোগ করার ঝুঁকিও কমে। ডোমেইনটি সুরক্ষিতভাবে সাড়া দিলেও, উন্মুক্ত রেকর্ডের প্ল্যাটফর্মে এটি আর সক্রিয় নয় বলে উল্লেখ থাকায় এই রেকর্ডটিকে নিষ্ক্রিয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

লক্ষ্য তালিকায় 59,206 সারি দেখা গেলেও, সরাসরি সমর্থন পাওয়া উন্মুক্ত রেকর্ডে 58,948 রেকর্ডের ভিত্তি পাওয়া গেছে। তাই লক্ষ্য তালিকার সংখ্যাটি এই রেকর্ডে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নকল করা হয়নি; সরাসরি সমর্থিত সংখ্যা ও তথ্যক্ষেত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তথ্য ফাঁসের ক্যাটালগগুলোতে এমন পার্থক্য সাধারণ, কারণ কিছু তালিকা মোট সারির সংখ্যা, কিছু স্বতন্ত্র ব্যবহারকারীর সংখ্যা এবং কিছু পরিশোধিত রেকর্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।

এই ঘটনার প্রধান ঝুঁকি হলো শনাক্তকারী তথ্যের সঙ্গে প্লেইনটেক্সট পাসওয়ার্ডের উপস্থিতি। একই পাসওয়ার্ড বা তার কাছাকাছি কোনো রূপ অন্য সেবায় ব্যবহার করা হয়ে থাকলে, আক্রমণকারীরা স্বয়ংক্রিয় লগইন প্রচেষ্টা, অ্যাকাউন্ট দখলের চেষ্টা এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে ফিশিং বার্তা তৈরির প্রস্তুতি নিতে পারে। তথ্য ফাঁস হওয়া সাইটটি বর্তমানে সক্রিয় থাকুক বা না থাকুক, এই ঝুঁকি থেকে যায়।

যাচাইকৃত পরিধি ও সীমা

কর, নিবন্ধন, বিধি প্রতিপালন বা ব্যবসায়িক সেবার জন্য অনলাইন অ্যাকাউন্ট খুলেছেন এমন ব্যবহারকারীদের কাছে এই রেকর্ডটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সেটি পুরোনো অ্যাকাউন্ট, ভুলে যাওয়া ফোরাম প্রোফাইল বা একবারের জন্য করা নিবন্ধন বলে মনে হলেও, ইমেইল ঠিকানা, ব্যবহারকারীর নাম, ফোন নম্বর, IP ঠিকানা বা জন্মতারিখের মতো তথ্য স্থায়ী শনাক্তকারী হিসেবে কাজ করে। বহু বছর পরেও এই তথ্য অন্য ডেটাসেটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা সম্ভব।

Service Tax Online-এর ক্ষেত্রে, ব্যবসায়িক বা করসংক্রান্ত সেবা নিতে গিয়ে ব্যবহারকারীরা যদি আনুষ্ঠানিক আবেদনেও একই ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করেন, তাহলে বিধি প্রতিপালন ও অর্থ পরিশোধসংক্রান্ত ভুয়া বার্তা আরও বিশ্বাসযোগ্য মনে হতে পারে। তাই ঘটনাটির প্রভাব শুধু একটি ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তার মধ্যে সীমিত নয়। একই ইমেইল ঠিকানা দিয়ে ব্যবহার করা গেম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ব্যবসা, ই-কমার্স বা বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাকাউন্টও পরোক্ষভাবে ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

ঝুঁকিতে থাকা ব্যবহারকারী গোষ্ঠী

যেসব তথ্য আক্রমণকারীরা সবচেয়ে সহজে অপব্যবহার করতে পারে, ইমেইল ঠিকানা তার মধ্যে অন্যতম। পাসওয়ার্ড, পূর্ণ নাম বা ব্যবহারকারীর নামের সঙ্গে মিলিয়ে এসব ঠিকানা ব্যাপক পরিসরে লগইনের চেষ্টা এবং বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয় এমন ইমেইল তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্যবহারকারীদের বিশেষ করে পুরোনো পাসওয়ার্ড তৈরির ধরন এবং একই ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধন করা অন্যান্য সেবা পর্যালোচনা করা উচিত।

পাসওয়ার্ডের তথ্যক্ষেত্র থাকার কারণে Service Tax Online-এর রেকর্ডটি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্লেইনটেক্সট পাসওয়ার্ড পাওয়া গেলে, দেখতে শক্তিশালী হলেও পুনর্ব্যবহৃত পাসওয়ার্ডকে দুর্বল হিসেবে গণ্য করা হয়। ব্যবহারকারীদের প্রতিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড তৈরি করা, সামান্য পরিবর্তন করে পুরোনো পাসওয়ার্ড পুনর্ব্যবহার না করা এবং পাসওয়ার্ড ম্যানেজারে এলোমেলোভাবে তৈরি পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করা উচিত।

ব্যবহারকারীর নাম বা ডাকনাম থাকলে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের মধ্যে যোগসূত্র খুঁজে পাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। গেম, ফোরাম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা মার্কেটপ্লেসের অ্যাকাউন্টে একই ব্যবহারকারীর নাম বারবার ব্যবহার করা হলে, আক্রমণকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মজুড়ে সেই ডিজিটাল পরিচয় অনুসরণ করতে পারে। তাই ব্যবহারকারীর নামকে শুধু দৃশ্যমান প্রোফাইল তথ্য হিসেবেই দেখা উচিত।

যেসব রেকর্ডে IP ঠিকানা বা সেশনের চিহ্ন থাকার পক্ষে সমর্থন পাওয়া যায়, সেখানে ঝুঁকি আরও বাড়ে। IP তথ্য থেকে আনুমানিক অবস্থান, ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানকারী বা সেশন ব্যবহারের অভ্যাস সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে। এসব তথ্যক্ষেত্র পরিচয়পত্রের মতো সংবেদনশীল মনে না-ও হতে পারে; তবে অন্য তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে এগুলো সামাজিক প্রকৌশলভিত্তিক আক্রমণকে আরও কার্যকর করতে পারে।

ফোন নম্বর, জন্মতারিখ, পূর্ণ নাম বা ঠিকানার মতো স্থায়ী তথ্য থাকলে, ব্যবহারকারীদের শুধু পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেই থেমে থাকা উচিত নয়। এসব তথ্য পাসওয়ার্ড রিসেটের চেষ্টা, সহায়তার নামে ভুয়া ফোনকল, পণ্য পৌঁছে দেওয়া ও অর্থ পরিশোধের অজুহাতে প্রতারণা কিংবা পরিচয় যাচাইয়ের প্রশ্নের উত্তর অনুমান করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

ব্যবসা ও করকেন্দ্রিক সাইটে ইমেইলের নিরাপত্তা, পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ এবং ডোমেইনের সুনাম বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ব্যবহারকারীর তথ্যের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণের প্রত্যাশা জড়িত থাকে। প্রতিষ্ঠানের দিক থেকে এ ধরনের ঘটনা পুরোনো ফোরাম ইঞ্জিন, দুর্বল পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ পদ্ধতি, নিয়ন্ত্রণহীন প্লাগইন, অপ্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ এবং অপর্যাপ্ত নজরদারি প্রক্রিয়ার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব দেখায়। ডেটাবেস ফাঁস হলে ক্ষতি বছরের পর বছর চলতে পারে।

প্রথম ধাপে, ব্যবহারকারীদের Service Tax Online বা servicetaxonline.com-এর সঙ্গে যুক্ত পুরোনো অ্যাকাউন্ট এবং সেসব অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে এমন পাসওয়ার্ড শনাক্ত করা উচিত। যেসব সেবায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলোর সবকটিতে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা, গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের সেশন বন্ধ করা এবং অপরিচিত ডিভাইস সরিয়ে দেওয়া উচিত।

দ্বিতীয় ধাপ হলো দুই-উপাদানভিত্তিক পরিচয় যাচাই চালু করা। SMS-এর তুলনায় অ্যাপভিত্তিক পরিচয় যাচাই বা নিরাপত্তা চাবি আক্রমণের বিরুদ্ধে বেশি প্রতিরোধী। বিশেষ করে ইমেইল অ্যাকাউন্ট, পাসওয়ার্ড ম্যানেজার, আর্থিক সেবা, গেমিং অ্যাকাউন্ট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইলকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

তৃতীয় ধাপ হলো ইমেইল অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা সেটিংস যাচাই করা। ইমেইল ফরওয়ার্ড করার নিয়ম, অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের ঠিকানা, সংযুক্ত অ্যাপ, অ্যাপ পাসওয়ার্ড এবং সক্রিয় সেশন পর্যালোচনা করা উচিত। তথ্য ফাঁসের পর আক্রমণকারীরা সরাসরি অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারলেও, তারা পাসওয়ার্ড রিসেটের বার্তাকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।

চতুর্থ ধাপ হলো ফিশিং ও সহায়তার নামে আসা ভুয়া বার্তার ব্যাপারে সতর্ক থাকা। পুরোনো ব্যবহারকারীর নাম, ফোন নম্বর বা আগ্রহের বিষয় উল্লেখ করা বার্তা বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হতে পারে। ব্যবহারকারীদের লিংকে ক্লিক না করে নিজেরা ঠিকানা লিখে সংশ্লিষ্ট সেবায় যাওয়া উচিত এবং যাচাই না করে সংযুক্ত ফাইল খোলা উচিত নয়।

জরুরি করণীয়

পঞ্চম ধাপ হলো একই পাসওয়ার্ড বারবার ব্যবহার করার অভ্যাস স্থায়ীভাবে ত্যাগ করা। তথ্য ফাঁসের সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিণতি হলো সেই একই পাসওয়ার্ড অন্যত্র পুনর্ব্যবহার করা। আলাদা পাসওয়ার্ড, দুই-উপাদানভিত্তিক পরিচয় যাচাই এবং নিয়মিত নিরাপত্তা সতর্কবার্তা একসঙ্গে ব্যবহার করলে অতীতের তথ্য ফাঁসের পরবর্তী প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

সাইটের মালিকদের জন্য এই রেকর্ডটি দেখায় যে পাসওয়ার্ড সংরক্ষণের মান সরাসরি ব্যবহারকারীর নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে। প্লেইনটেক্সট পাসওয়ার্ড বা দ্রুত ভাঙা যায় এমন হ্যাশ থাকলে, ডেটাবেস উন্মুক্ত হয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকাউন্ট দখলের ঝুঁকি বাড়ে। আধুনিক, ধীরগতির এবং সল্টযুক্ত পাসওয়ার্ড ডেরিভেশন পদ্ধতি মানসম্মত চর্চা হওয়া উচিত।

প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাডমিন প্যানেল, ব্যাকআপ ফাইল, তথ্য রপ্তানির সরঞ্জাম, পরীক্ষার পরিবেশ এবং পুরোনো প্লাগইন সবচেয়ে বেশি অবহেলিত ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে পড়ে। ব্যবহারকারীর তথ্য রয়েছে এমন প্রতিটি উপাদানকে সীমিত অনুমতি দিয়ে পরিচালনা করা উচিত, প্রবেশের লগ রাখা উচিত এবং অস্বাভাবিক কুয়েরির জন্য সতর্কসংকেত তৈরি হওয়া উচিত।

ঘটনা মোকাবিলার ক্ষেত্রে, কোন তথ্য প্রভাবিত হয়েছে তা দ্রুত নির্ধারণ করার সক্ষমতা প্রতিষ্ঠানগুলোর থাকা দরকার। পাসওয়ার্ড রিসেট, ব্যবহারকারীদের জানানো, নিরাপত্তা দুর্বলতা সংশোধন, প্রমাণ সংরক্ষণ এবং সংযুক্ত উপাদান যাচাইয়ের পরিকল্পনা আগে থেকে না থাকলে, তথ্য ফাঁসের পরবর্তী প্রক্রিয়া দীর্ঘ হয় এবং ব্যবহারকারীদের আস্থা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এই রেকর্ডের গোপনীয়তাগত প্রভাব কম বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে ব্যবসা ও করবিধি প্রতিপালনের মতো প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একই ইমেইল ঠিকানা বা ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। ব্যবহারকারীদের কাজের ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টকে ফোরাম ও বিনোদনের অ্যাকাউন্ট থেকে আলাদা রাখলে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি কমে।

একই ঘটনা বিভিন্ন তালিকায় ভিন্ন নাম বা সংখ্যা নিয়ে দেখা যেতে পারে। প্রকৃত ডোমেইন নাম, সরাসরি সমর্থিত ঘটনার তারিখ, রেকর্ডের সংখ্যা এবং তথ্যের ধরনের ভিত্তিতে Service Tax Online-এর রেকর্ড থেকে সদৃশ এন্ট্রি বাদ দেওয়া হয়েছে। একই ডেটাসেটের প্রতিনিধিত্বকারী সদৃশ সারিগুলো যোগ করে রেকর্ড বাড়ানো হয়নি; বিদ্যমান যাচাইকৃত রেকর্ডগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কৌশল

Service Tax Online-এর তথ্য ফাঁস, servicetaxonline.com-এর তথ্য ফাঁস, Service Tax Online-এর পাসওয়ার্ড ফাঁস এবং Service Tax Online-এর ব্যবহারকারীর তথ্যের মতো বিভিন্ন নামে স্পষ্ট ও তথ্যভিত্তিক বিবরণ দেওয়ার জন্য এই পৃষ্ঠাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে শুধু যাচাইকৃত বিষয় এবং প্রযোজ্য নিরাপত্তা পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়েছে।

এই রেকর্ড দেখার পর ব্যবহারকারীদের প্রথমে যাচাই করা উচিত, অতীতে নিবন্ধনের জন্য কোন ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন, কোথায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেছেন এবং অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের তথ্য হালনাগাদ আছে কি না। পুরোনো তথ্য ফাঁস থেকে আজও ক্ষতি হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো একই পাসওয়ার্ডের পুনর্ব্যবহার চালিয়ে যাওয়া।

প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এখান থেকে শেখার বিষয় হলো তথ্য সংগ্রহ ন্যূনতম রাখা। ব্যবহারকারীর কাছে শুধু সত্যিই প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া উচিত, যুক্তিসংগত নীতিমালা অনুযায়ী পুরোনো অ্যাকাউন্ট পরিষ্কার করা উচিত, অপ্রয়োজনীয় প্রোফাইল তথ্য রাখা উচিত নয় এবং সংবেদনশীল তথ্য আলাদা সুরক্ষা স্তরের অধীনে সংরক্ষণ করা উচিত। যে তথ্য সংগ্রহই করা হয় না, তা ফাঁসও হয় না।

এই রেকর্ডে বেশি সংখ্যার কিন্তু পরস্পরবিরোধী দাবিগুলোকে বাড়িয়ে না তুলে, সরাসরি সমর্থিত বিবরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। তথ্য ফাঁসের পৃষ্ঠাগুলোর নির্ভরযোগ্যতার জন্য এই পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবহারকারীদের সামনে ভিত্তিহীন নিশ্চয়তা তুলে ধরার বদলে, কোন বিষয়গুলোর পক্ষে সমর্থন আছে তা স্পষ্ট রাখা অধিকতর সঠিক পদ্ধতি।

Service Tax Online-এর ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের ব্যবহারিক করণীয় তালিকায় তিনটি অংশ রয়েছে: পুরোনো পাসওয়ার্ড খুঁজে বের করা, একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করা বা পরিবর্তন করা এবং লগইনের বিজ্ঞপ্তি চালু করা। এসব পদক্ষেপ সহজ মনে হলেও, তথ্য ফাঁসের পর প্রকৃত ক্ষতি কমাতে এগুলোই সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা।

Service Tax Online-এর রেকর্ডে তথ্যের ধরন সীমিত রাখা হয়েছে বলে, এই লেখায় আরও তথ্যক্ষেত্র রয়েছে এমন ধারণা দেওয়া হয়নি। তবুও শুধু ইমেইল ও পাসওয়ার্ডের সমন্বয়ই উচ্চ ঝুঁকির। ব্যবহারকারীরা পুরোনো অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারলেও, একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা অন্যান্য সেবায় পাসওয়ার্ড হালনাগাদ করা প্রয়োজন।

এই রেকর্ড মূল্যায়নের সময় নিরাপত্তা দলগুলোর শুধু প্রভাবিত ওয়েবসাইটের দিকে নজর দেওয়া উচিত নয়। প্রতিষ্ঠানের ডোমেইনের ইমেইল ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধিত কর্মী থাকলে, পাসওয়ার্ড পুনর্ব্যবহারের ভিত্তিতে লগইনের চেষ্টা, ইমেইল নিরাপত্তা সতর্কবার্তা এবং ঝুঁকিপূর্ণ সাইন-ইনের সংকেতগুলোকে আলাদা নজরদারি নিয়মের আওতায় বিবেচনা করা উচিত।

রেকর্ড যাচাই ও ব্যবহারকারীর করণীয়

পুরোনো ও বন্ধ হয়ে যাওয়া প্ল্যাটফর্মগুলো কেন ভুলে যাওয়া উচিত নয়, এই ঘটনাটি তা-ও দেখায়। কোনো সেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বা তার ডোমেইন নাম বদলে যেতে পারে; কিন্তু ব্যবহারকারীরা অতীতে যে ইমেইল, পাসওয়ার্ড, ফোন বা প্রোফাইলের তথ্য দিয়েছিলেন, তা অন্য পরিবেশে ছড়াতে থাকতে পারে। নিরাপত্তা মূল্যায়ন শুধু বর্তমানে প্রবেশ করা যায় কি না, তার মধ্যে সীমিত রাখা উচিত নয়।

সারসংক্ষেপে, Service Tax Online-এর তথ্য ফাঁস 2017 সালের নভেম্বরের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তাজনিত ঘটনা, যা 58,948 অ্যাকাউন্টকে প্রভাবিত করেছে এবং যেখানে ইমেইল ঠিকানা ও প্লেইনটেক্সট পাসওয়ার্ডের তথ্যক্ষেত্র ছিল। ব্যবহারকারীদের প্রতিটি সেবায় আলাদা পাসওয়ার্ড রাখা, দুই-ধাপের যাচাই ব্যবহার করা, সন্দেহজনক বার্তার ব্যাপারে সতর্ক থাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে নিয়মিত লগইনের ইতিহাস যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি

LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।

অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান