SmartHem: তথ্য উন্মুক্ত হওয়ার অভিযোগ
SmartHem-এর তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি smarthem.se ডোমেইনের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি নিরাপত্তা ঘটনা। গৃহস্থালি পণ্য ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের প্রেক্ষাপটে পর্যালোচিত এই ঘটনাটি এপ্রিল 2018-এর। প্রকাশ্যে যাচাই করা যায় এমন রেকর্ডে 53,971টি অ্যাকাউন্টকে প্রভাবিত করা একটি একক ঘটনা হিসেবে এর সমর্থন পাওয়া যায় বলে এই রেকর্ডটি যুক্ত করা হয়েছে। রেকর্ডে কেবল ইমেইল ঠিকানা ও প্লেইন টেক্সট পাসওয়ার্ডের তথ্য রাখা হয়েছে; ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত না করতে প্রমাণসমর্থনহীন তথ্যের ধরনগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে।
উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন
2- ইমেইল ঠিকানা
- পাসওয়ার্ড
এই রেকর্ড সম্পর্কে
ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন ও ঝুঁকি
SmartHem-এর রেকর্ড তৈরি করার আগে বিদ্যমান রেকর্ডগুলোর সঙ্গে শিরোনাম, ডোমেইন নাম, কাছাকাছি ব্র্যান্ড নাম, ঘটনার তারিখ ও রেকর্ডের সংখ্যার মিল পরীক্ষা করা হয়েছে। একই ঘটনার কোনো রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে এটিকে আলাদা রেকর্ড হিসেবে রাখা হয়েছে। কাছাকাছি নাম হলেও ভিন্ন ডোমেইন বা ভিন্ন ঘটনার রেকর্ডগুলো এই সিদ্ধান্তের বিবেচনা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
বিবেচ্য তালিকাগুলোতে থাকা রেকর্ডের সংখ্যা এবং যাচাইযোগ্য তথ্যের সংখ্যার মধ্যে সামান্য পার্থক্য দেখা যেতে পারে। অপরিশোধিত ডেটার সারি, স্বতন্ত্র অ্যাকাউন্ট, পুনরাবৃত্ত ইমেইল, পরিশোধিত রেকর্ড বা নতুনভাবে প্যাকেজ করা ডেটাসেটের পার্থক্য থেকে এমনটি হতে পারে। এই পৃষ্ঠায় দেখা যাওয়া সর্বোচ্চ সংখ্যার বদলে 53,971 সংখ্যাটিকে ভিত্তি ধরা হয়েছে, কারণ তথ্যের ধরনগুলোর পাশাপাশি এই সংখ্যারও ধারাবাহিক সমর্থন পাওয়া যায়।
SmartHem-এর প্রেক্ষাপটটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গৃহস্থালি পণ্য ও ভোগ্যপণ্য কেনেন এমন ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন কেনাকাটার সাইটে একই ইমেইল ও পাসওয়ার্ড ব্যবহারের অভ্যাস ধরে রাখতে পারেন। সুইডেনভিত্তিক এই ই-কমার্সের প্রেক্ষাপটে ফাঁস হওয়া পাসওয়ার্ড শুধু পুরোনো দোকানের অ্যাকাউন্টের জন্য নয়, অন্যান্য খুচরা বিক্রেতা ও পেমেন্ট অ্যাকাউন্টের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
যাচাইকৃত পরিধি ও সীমাবদ্ধতা
SmartHem-এর ঘটনায় তথ্যের ধরন সীমিত মনে হলেও প্লেইন টেক্সট পাসওয়ার্ড পাওয়া যাওয়ার ঝুঁকি বেশি। কেনাকাটার অ্যাকাউন্টে ব্যবহৃত পাসওয়ার্ডটি যদি ইমেইল ইনবক্স, মার্কেটপ্লেস, ডেলিভারি অ্যাপ বা পেমেন্ট অ্যাকাউন্টেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাহলে আক্রমণকারীরা দ্রুত একই ইমেইল-পাসওয়ার্ডের সমন্বয় দিয়ে চেষ্টা করতে পারে।
SmartHem-এর ঘটনায় প্লেইন টেক্সট পাসওয়ার্ডের তথ্য পাওয়া গেছে বলে ঝুঁকি সাধারণ ইমেইল ফাঁসের তুলনায় বেশি। পাসওয়ার্ডের তথ্য আক্রমণকারীদের বারবার অনুমান করে চেষ্টা করার সময় কমিয়ে দেয়, একই পাসওয়ার্ড ব্যবহৃত হয় এমন অন্য সেবায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগইনের চেষ্টা সহজ করে এবং পাসওয়ার্ড রিসেটের বার্তাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।
ঝুঁকিতে থাকা ব্যবহারকারী গোষ্ঠী
শুধু একটি ইমেইল ঠিকানাকে সীমিত ব্যক্তিগত তথ্য বলে মনে হতে পারে। কিন্তু ব্যবহারকারীর নাম, IP ঠিকানা, পাসওয়ার্ড বা প্রোফাইলের তথ্যের সঙ্গে যুক্ত হলে তা আক্রমণের শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে ওঠে। ব্যবহারকারী যদি কাজ, কেনাকাটা, ফোরাম, গেম, আর্থিক সেবা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে একই ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করেন, তাহলে প্রভাব সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের বাইরেও ছড়াতে পারে।
ঘটনাটি অতীতের হলেও নিরাপত্তার দিক থেকে এর গুরুত্ব এখনও রয়েছে। উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যবহারকারী সামান্য পরিবর্তন করে পুরোনো পাসওয়ার্ডের ধরন আবার ব্যবহার করেন। তাই SmartHem-এর মতো পুরোনো তথ্য ফাঁসের ঘটনাও বহু বছর পরে পাসওয়ার্ড অনুমান, ফাঁস হওয়া লগইন তথ্য দিয়ে অন্য সেবায় প্রবেশের চেষ্টা বা ক্রেডেনশিয়াল স্টাফিং এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে ফিশিংয়ের চেষ্টায় কাজে লাগতে পারে।
ব্যবহারকারীদের প্রথম কাজ হলো আগে SmartHem বা smarthem.se-তে কোন ইমেইল ঠিকানা ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকতে পারেন, তা মনে করার চেষ্টা করা। একই ধরনের পাসওয়ার্ড অন্য অ্যাকাউন্টেও ব্যবহার করা হয়ে থাকলে শুধু সংশ্লিষ্ট সাইটে পরিবর্তন করাই যথেষ্ট নয়; বারবার ব্যবহার করা সব পাসওয়ার্ড বদলে প্রতিটির জন্য আলাদা ও এলোমেলো পাসওয়ার্ড দিতে হবে।
এই ঘটনার পর নেওয়া যেতে পারে এমন সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থাগুলোর একটি হলো পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করা। প্রতিটি সাইটের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড তৈরি করলে একটি তথ্য ফাঁসের প্রভাব একের পর এক অন্য অ্যাকাউন্টে ছড়িয়ে পড়া রোধ করা যায়। ব্রাউজারে সংরক্ষিত পুরোনো পাসওয়ার্ডও পর্যালোচনা করা উচিত এবং দুর্বল বা একাধিক জায়গায় ব্যবহৃত পাসওয়ার্ডগুলো সরিয়ে দেওয়া উচিত।
বিশেষ করে ইমেইল অ্যাকাউন্ট, পাসওয়ার্ড ম্যানেজার, আর্থিক অ্যাকাউন্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইল, গেমিং অ্যাকাউন্ট ও অ্যাডমিন প্যানেলে দুই-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। SMS-ভিত্তিক প্রমাণীকরণের তুলনায় অ্যাপভিত্তিক প্রমাণীকরণ বা হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি কি আক্রমণ প্রতিরোধে আরও শক্তিশালী সুরক্ষা দেয়।
ইমেইল অ্যাকাউন্টের ফরওয়ার্ডিং নিয়ম, পুনরুদ্ধারের ঠিকানা, সংযুক্ত অ্যাপ, বিশ্বস্ত ডিভাইসের তালিকা ও সাম্প্রতিক সেশনগুলো পরীক্ষা করা উচিত। আক্রমণকারী সরাসরি SmartHem অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারলেও ইমেইল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অন্য সেবার পাসওয়ার্ড রিসেট প্রক্রিয়াকে লক্ষ্য করতে পারে।
ফিশিংয়ে পুরোনো সেবার নাম, ব্যবহারকারীর নাম, খাতসংক্রান্ত তথ্য বা নিবন্ধনের তারিখ ব্যবহার করা হতে পারে। ব্যবহারকারীদের আসা লিংকে সরাসরি ক্লিক না করে নিজেরা ঠিকানা লিখে সাইটে যাওয়া উচিত, যাচাই ছাড়া সংযুক্ত ফাইল খোলা উচিত নয় এবং অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ তৈরি করে এমন বার্তার বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি মূল্যায়ন করা উচিত। কোনো কর্মী আপাতদৃষ্টিতে ব্যক্তিগত একটি অ্যাকাউন্টে কাজের ইমেইল ব্যবহার করে থাকলে প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমেও একই পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করা সম্ভব। তাই ডোমেইনভিত্তিক নিরাপত্তা স্ক্যান, বহু-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণ এবং পাসওয়ার্ডের পুনর্ব্যবহার শনাক্ত করার ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।
সাইটের মালিকদের জন্য প্রধান শিক্ষা হলো পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহ সীমিত রাখা। প্লেইন টেক্সট বা দ্রুত ভাঙা যায় এমন হ্যাশ ফরম্যাট সরাসরি ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা দুর্বল করে। আধুনিক সিস্টেমে শক্তিশালী, সল্টযুক্ত এবং গণনায় বেশি সময় লাগে এমন পাসওয়ার্ড ডেরিভেশন পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহারকারীর লগইনের সময় পুরোনো হ্যাশ ফরম্যাটগুলোও ধাপে ধাপে হালনাগাদ করা উচিত।
ব্যাকআপ, পরীক্ষামূলক পরিবেশ, এক্সপোর্ট করা ফাইল, পুরোনো ফোরাম সফটওয়্যার, অ্যাডমিন প্যানেল ও অপ্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়মিত নিরীক্ষা করা উচিত। অনেক তথ্য ফাঁসের উৎস মূল অ্যাপ্লিকেশনের দৃশ্যমান অংশ নয়; বরং ভুলে যাওয়া সহায়ক সিস্টেম বা অতিরিক্ত অনুমতিসম্পন্ন অ্যাকাউন্ট।
যেসব প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ঘটনায় সাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা নেই, সেখানে ব্যবহারকারীকে জানানো, পাসওয়ার্ড রিসেট, লগ পর্যালোচনা ও সংযুক্ত সিস্টেম পরীক্ষা করতে দেরি হয়। কোন সিস্টেম পর্যবেক্ষণ করা হবে, কোন রেকর্ড রাখা হবে, কোন ব্যবহারকারীদের জানানো হবে এবং কোন ব্যাকআপ পর্যালোচনা করা হবে, তা আগে থেকেই নির্ধারণ করা উচিত।
SmartHem ডোমেইন বর্তমানে স্বাভাবিক ব্যবহার-অভিজ্ঞতা দেয় না বলে পুরোনো অ্যাকাউন্টে সরাসরি প্রবেশ করা কঠিন হতে পারে। এতে ঝুঁকি দূর হয় না; কারণ ফাঁস হওয়া পাসওয়ার্ডটি অতীতে অন্য অ্যাকাউন্টেও ব্যবহার করা হয়ে থাকলে সেই তথ্য এখনও আক্রমণের ধারাবাহিক ধাপগুলোতে কাজে লাগতে পারে।
ব্যবহারকারীরা ধরে নিতে পারেন যে গৃহস্থালি ও জীবনযাপনসংক্রান্ত পণ্য বিক্রি করা ওয়েবসাইটে ডেলিভারির ঠিকানা, বিলিং তথ্য বা কেনাকাটার ইতিহাসের মতো তথ্যও থাকে। তবে এই রেকর্ডে সরাসরি প্রমাণসমর্থিত তথ্যের ধরন ইমেইল ও পাসওয়ার্ডেই সীমাবদ্ধ ছিল; প্রমাণসমর্থনহীন ঠিকানা বা পেমেন্টের তথ্য যোগ করা হয়নি।
সেবাটি সুইডেনের বাজারকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হওয়ায় একই দেশের ভোক্তাদের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহারের সম্ভাবনা বেশি হতে পারে। ব্যবহারকারী একই ইমেইল ঠিকানা দিয়ে অন্য স্থানীয় দোকানে অ্যাকাউন্ট খুলে থাকলে সেগুলোও পরীক্ষা করা উচিত।
জরুরি করণীয়
ই-কমার্স অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে আক্রমণকারীরা কখনো কখনো এমন বার্তা তৈরি করে, যা প্রকৃত অর্ডারের বিজ্ঞপ্তি বলে মনে হয়। তাই পুরোনো দোকানের নাম, পণ্য ফেরতের অনুরোধ, ডেলিভারির সমস্যা বা ছাড়ের কুপনসংক্রান্ত বার্তাকেও সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
সক্রিয় সাইটটি নির্ভরযোগ্যভাবে সাড়া না দেওয়ায় SmartHem পৃষ্ঠার লোগো একটি সাধারণ স্থানীয় ছবি হিসেবে রাখা হয়েছে। এতে অসম্পূর্ণ ছবি ছাড়াই ব্যবহারকারীর কাছে রেকর্ডটি দেখা যায় এবং ওয়েবসাইটের ঠিকানা প্রোটোকল ছাড়া সংরক্ষিত থাকে।
এই রেকর্ডে অযাচাইকৃত তথ্যের ধরনগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। তথ্যের ধরনের দীর্ঘ তালিকা তৈরির চেয়ে প্রমাণসমর্থিত ক্ষেত্রগুলো স্পষ্টভাবে দেখানো ব্যবহারকারীর আস্থার জন্য বেশি মূল্যবান। তথ্য ফাঁসের পৃষ্ঠাগুলোর উদ্দেশ্য ভয় দেখানো নয়; বরং সঠিক পরিধি ও প্রযোজ্য নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা।
SmartHem-এর তথ্য ফাঁস, smarthem.se-এর তথ্য ফাঁস, SmartHem-এর পাসওয়ার্ড ফাঁস এবং SmartHem-এর ব্যবহারকারীর তথ্যের মতো বিভিন্ন নামে সহজবোধ্য ও ব্যবহারিক তথ্য দেওয়ার জন্য এই পৃষ্ঠাটি তৈরি করা হয়েছে। লেখাটিতে যাচাইকৃত বিষয় ও কার্যকর নিরাপত্তা পদক্ষেপ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
এই রেকর্ড দেখার পর ব্যবহারকারীদের শুধু সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের অ্যাকাউন্ট নয়, একই ইমেইল ঠিকানা দিয়ে খোলা অন্য অ্যাকাউন্টগুলোও মূল্যায়ন করা উচিত। বিশেষ করে যেসব অ্যাকাউন্টে পুরোনো পাসওয়ার্ড আবার ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলোই আক্রমণকারীদের প্রথম লক্ষ্য হয়। পুরোনো অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলেও দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি কমে।
পাসওয়ার্ডের পুনর্ব্যবহার কমাতে নতুন পাসওয়ার্ডে ব্র্যান্ডের নাম, জন্মসাল, ব্যবহারকারীর নাম, দলের নাম, শখ, শহর বা সহজে অনুমান করা যায় এমন অতিরিক্ত অংশ রাখা উচিত নয়। পাসওয়ার্ডের শেষে ছোট কোনো সংখ্যা বা বিশেষ চিহ্ন যোগ করলেই তা নিরাপদ হয় না; আক্রমণকারীদের সরঞ্জাম দ্রুত এসব ধরন দিয়ে চেষ্টা করে।
অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা যাচাইয়ের তালিকাটি স্পষ্ট: পুরোনো পাসওয়ার্ড বদলান, একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা সব অ্যাকাউন্ট হালনাগাদ করুন, দুই-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণ চালু করুন, ইমেইল পুনরুদ্ধারের তথ্য পরীক্ষা করুন, অচেনা সেশন বন্ধ করুন এবং সন্দেহজনক বার্তার লিংক ব্যবহার না করে সরাসরি সাইটের ঠিকানায় যান।
কর্মীদের ইমেইল ডোমেইনের সঙ্গে মিলে যায় এমন ইমেইল ঠিকানার দিক থেকে নিরাপত্তা দলগুলোর এই রেকর্ড মূল্যায়ন করা উচিত। পুরোনো ফোরাম, কেনাকাটা, আর্থিক সেবা বা কমিউনিটি অ্যাকাউন্টে ব্যবহৃত প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল ঠিকানা আক্রমণকারীদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় আরও তথ্য যোগ করতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কৌশল
এ ধরনের ঘটনায় তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ সীমিত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপ্রয়োজনীয় প্রোফাইল তথ্য সংগ্রহ করা উচিত নয়, যুক্তিসংগত সংরক্ষণ নীতি অনুযায়ী নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট সরিয়ে ফেলা উচিত, সংবেদনশীল তথ্যের ক্ষেত্রে প্রবেশাধিকার সীমিত করা উচিত এবং তথ্য এক্সপোর্টের কার্যক্রমে বাড়তি নজরদারি রাখা উচিত।
আতঙ্কিত না হয়ে ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার প্রয়োজনীয় কাজগুলো সম্পন্ন করা দরকার। পুরোনো ও ভুলে যাওয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা, অপ্রয়োজনীয় সদস্যপদ মুছে ফেলা, পুনরুদ্ধারের ঠিকানা হালনাগাদ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে লগইনের বিজ্ঞপ্তি চালু করা স্থায়ী সুরক্ষা দেয়।
প্রভাবিত অ্যাকাউন্টের সংখ্যা, পাসওয়ার্ডের তথ্যের ধরন, অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ দখলে তথ্যের ধরনগুলোর সম্ভাব্য ভূমিকা এবং ঘটনায় পুনর্ব্যবহারযোগ্য লগইন তথ্য ছিল কি না, এসব বিবেচনায় এই পৃষ্ঠায় ঝুঁকির মাত্রা সংকটজনক হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সংকটজনক মাত্রা নিশ্চিত অপব্যবহার বোঝায় না; বরং ব্যবহারকারীর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলে নির্দেশ করে।
সারসংক্ষেপে, SmartHem-এর এই রেকর্ডটি এপ্রিল 2018 সময়কালে 53,971টি অ্যাকাউন্টকে প্রভাবিত করা একটি স্বতন্ত্র তথ্য ফাঁসের রেকর্ড, যাতে ইমেইল ঠিকানা ও প্লেইন টেক্সট পাসওয়ার্ড রয়েছে। ব্যবহারকারীদের প্রতিটি অ্যাকাউন্টে আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার, দুই-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণ চালু, ইমেইলের নিরাপত্তা সেটিংস পরীক্ষা এবং সন্দেহজনক লগইনের সতর্কবার্তা পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
SmartHem রেকর্ডে সংখ্যাগত মান, শিরোনাম ও ডোমেইন একসঙ্গে মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে একই নামে ছড়িয়ে থাকা অস্পষ্ট তালিকাভুক্ত তথ্য এই পৃষ্ঠায় আনা হয়নি। ব্যবহারকারীর দেখা রেকর্ডটি যাচাইকৃত ডোমেইন ও ঘটনার সময়কালের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
তথ্যের ধরনগুলোর তালিকা সরল রাখা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ; কারণ প্রমাণসমর্থনহীন তথ্য যোগ করলে ব্যবহারকারীর ঝুঁকি মূল্যায়ন ব্যাহত হয়। তাই ইমেইল ঠিকানা ও প্লেইন টেক্সট পাসওয়ার্ড ছাড়া অন্য কোনো দাবিকে এই রেকর্ডের প্রমাণিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি।
smarthem.se ডোমেইনের সঙ্গে যুক্ত পুরোনো সদস্যপদের কথা ব্যবহারকারীরা ভুলে গিয়ে থাকতে পারেন। ভুলে যাওয়া অ্যাকাউন্টে পাসওয়ার্ড বদলানো সম্ভব না হলে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহৃত হয় এমন অন্য সেবা খুঁজে সেগুলো সুরক্ষিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া বেশি বাস্তবসম্মত।
ব্যবহারকারীর নাম বা ইমেইল ঠিকানা অন্য ফাঁস হওয়া তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিলে আক্রমণকারীদের পক্ষে সেই ব্যক্তির আগ্রহ, দেশ, পেশাগত খাত বা অতীতের সদস্যপদ গ্রহণের ধরন অনুমান করা সহজ হয়। তাই একটি তথ্য ফাঁসের ঘটনা ছোট মনে হলেও সম্মিলিত ঝুঁকি বেশি।
প্রতিষ্ঠানের দিক থেকে, কর্মীদের ব্যক্তিগত সদস্যপদে কাজের ইমেইল ব্যবহার করার বিষয়টি নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণে আলোচনা করা উচিত। এ ধরনের রেকর্ড পাসওয়ার্ডের পুনর্ব্যবহার এবং ব্যক্তিগত প্ল্যাটফর্মে প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়ের দৃশ্যমানতা পরিমাপের জন্য সতর্কসংকেত দেয়।
রেকর্ড যাচাই ও ব্যবহারকারীর করণীয়
এই রেকর্ডে নিজের ইমেইল দেখতে পেলে ব্যবহারকারীর উচিত প্রথমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলো দিয়ে শুরু করা: ইমেইল ইনবক্স, ব্যাংক বা বিনিয়োগ অ্যাকাউন্ট, পাসওয়ার্ড ম্যানেজার, ক্লাউড স্টোরেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং নিয়মিত ব্যবহৃত কেনাকাটার অ্যাকাউন্ট।
অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা সম্ভব হলে অপ্রয়োজনীয় পুরোনো সদস্যপদ বন্ধ করাও ভালো পদক্ষেপ। যেসব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা যায় না, সেগুলোতে অন্তত আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা, প্রোফাইলের তথ্য যতটা সম্ভব সীমিত রাখা এবং লগইনের বিজ্ঞপ্তি চালু করা উচিত।
যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি
LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।
অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান