SonicStream: তথ্য উন্মুক্ত হওয়ার অভিযোগ
SonicStream-এর তথ্য ফাঁস 2017 সালের অক্টোবরের একটি নিরাপত্তাজনিত ঘটনা। sonicstream.tv ডোমেইনের সঙ্গে যুক্ত লাইভ স্ট্রিমিং হোস্টিং ও বিনোদন প্ল্যাটফর্মের প্রেক্ষাপটে ঘটনাটি পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রত্যক্ষ প্রমাণসমর্থিত উন্মুক্ত রেকর্ড অনুযায়ী, এটিকে 47,332টি অ্যাকাউন্টে প্রভাব ফেলা একক ঘটনা হিসেবে রাখা হয়েছে। ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন কেবল ইমেইল ঠিকানা ও প্লেইন টেক্সট পাসওয়ার্ডের মধ্যে সীমিত। ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত না করতে, যেসব অতিরিক্ত তথ্যক্ষেত্রের পক্ষে স্বতন্ত্র সমর্থন নেই বা যেগুলো আপাতদৃষ্টিতে পরস্পরবিরোধী, সেগুলো এই রেকর্ডে যোগ করা হয়নি।
উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন
2- ইমেইল ঠিকানা
- পাসওয়ার্ড
এই রেকর্ড সম্পর্কে
ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন ও ঝুঁকি
SonicStream-এর রেকর্ড তৈরির সময় বিদ্যমান রেকর্ডগুলোর মধ্যে অনুরূপ রেকর্ড, একই ডোমেইন নামের সঙ্গে যুক্ত আগের ঘটনা, রেকর্ডের সংখ্যা, ঘটনার তারিখ, তথ্যের ধরন, ডোমেইনের অবস্থা এবং ব্র্যান্ডের প্রেক্ষাপট একসঙ্গে যাচাই করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে পৃথক ঘটনাগুলো আলাদাভাবে চিহ্নিত হয় এবং একই তথ্যসমষ্টি দুবার যোগ করার ঝুঁকি কমে। বর্তমানে ডোমেইনটির ঠিকানা রিজলভ করা যায় না এবং উন্মুক্ত রেকর্ডের প্ল্যাটফর্মে এটি আর সক্রিয় নয় বলে উল্লেখ ছিল। তাই প্ল্যাটফর্মটিকে বন্ধ হয়ে যাওয়া হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
লক্ষ্য তালিকায় 61,591টি সারি থাকলেও, প্রত্যক্ষ প্রমাণসমর্থিত উন্মুক্ত রেকর্ডে 47,332টি রেকর্ডের সমর্থন পাওয়া গেছে। তাই লক্ষ্য তালিকার সংখ্যাটি সরাসরি এই রেকর্ডে কপি করা হয়নি; প্রত্যক্ষ সমর্থন থাকা সংখ্যা ও তথ্যক্ষেত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তথ্য ফাঁসের তালিকাগুলোর মধ্যে এমন পার্থক্য সাধারণ, কারণ কিছু তালিকা মোট সারির সংখ্যার ভিত্তিতে, কিছু স্বতন্ত্র ব্যবহারকারীর সংখ্যার ভিত্তিতে, আবার কিছু পরিশোধিত রেকর্ডের ভিত্তিতে তৈরি হয়।
এই ঘটনার প্রধান ঝুঁকি হলো পরিচয় শনাক্তকারী তথ্যের সঙ্গে প্লেইন টেক্সট পাসওয়ার্ড থাকা। একই বা কাছাকাছি ধরনের পাসওয়ার্ড অন্য সেবায় ব্যবহার করা হয়ে থাকলে, আক্রমণকারীরা স্বয়ংক্রিয় লগইন চেষ্টা, অ্যাকাউন্ট দখলের চেষ্টা এবং নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীকে লক্ষ্য করে ফিশিং বার্তা প্রস্তুত করতে পারে। যে সাইট থেকে তথ্য ফাঁস হয়েছে সেটি বর্তমানে সক্রিয় থাকুক বা না থাকুক, এই ঝুঁকি থেকে যায়।
যাচাইকৃত পরিসর ও সীমাবদ্ধতা
যাঁরা লাইভ স্ট্রিমিং, ভিডিও বা বিনোদনকেন্দ্রিক অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছেন, তাঁদের জন্য এই রেকর্ড বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাকাউন্টটি পুরোনো, ভুলে যাওয়া কোনো ফোরাম প্রোফাইল বা একবারের নিবন্ধন বলে মনে হলেও, ইমেইল ঠিকানা, ব্যবহারকারীর নাম, ফোন নম্বর, IP ঠিকানা বা জন্মতারিখের মতো তথ্য স্থায়ী শনাক্তকারী হিসেবে কাজ করে। এমনকি বহু বছর পরও এই তথ্য অন্য তথ্যসমষ্টির সঙ্গে মেলানো যেতে পারে।
SonicStream-এর প্রেক্ষাপটে প্লেইন টেক্সট পাসওয়ার্ড পাওয়া গেলে, পুনরায় ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার চেষ্টা সরাসরি সম্ভব হয়। তাই এই ঘটনার প্রভাব একটি ওয়েবসাইটের অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একই ইমেইল ঠিকানা দিয়ে ব্যবহৃত গেম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, কর্মক্ষেত্র, ই-কমার্স বা বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাকাউন্টও পরোক্ষভাবে ঝুঁকিতে থাকতে পারে।
ঝুঁকিতে থাকা ব্যবহারকারী গোষ্ঠী
আক্রমণকারীদের জন্য সবচেয়ে সহজে অপব্যবহারযোগ্য তথ্যের একটি হলো ইমেইল ঠিকানা। পাসওয়ার্ড, পুরো নাম বা ব্যবহারকারীর নামের সঙ্গে যুক্ত হলে, এই ঠিকানাগুলো একসঙ্গে অনেক অ্যাকাউন্টে লগইন করার চেষ্টা এবং বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় এমন ইমেইল পাঠাতে ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্যবহারকারীদের বিশেষভাবে পুরোনো পাসওয়ার্ড তৈরির ধরন এবং একই ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধন করা অন্য সেবাগুলো পর্যালোচনা করা উচিত।
পাসওয়ার্ডের তথ্যক্ষেত্র থাকার কারণে SonicStream-এর রেকর্ডকে সংকটজনক ঝুঁকির স্তরে বিবেচনা করা হয়েছে। প্লেইন টেক্সট পাসওয়ার্ড পাওয়া গেলে, আপাতদৃষ্টিতে শক্তিশালী হলেও পুনরায় ব্যবহৃত পাসওয়ার্ডকে দুর্বল হিসেবে গণ্য করা হয়। ব্যবহারকারীদের প্রতিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড তৈরি করা, পুরোনো পাসওয়ার্ড সামান্য বদলে পুনরায় ব্যবহার না করা এবং এলোমেলোভাবে তৈরি পাসওয়ার্ড পাসওয়ার্ড ম্যানেজারে সংরক্ষণ করা উচিত।
ব্যবহারকারীর নাম বা ডাকনাম থাকলে, বিভিন্ন পরিচয়কে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করার ঝুঁকি বাড়ে। গেম, ফোরাম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা মার্কেটপ্লেসের অ্যাকাউন্টে একই ব্যবহারকারীর নাম ব্যবহার করা হলে, আক্রমণকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সেই ডিজিটাল পরিচয় অনুসরণ করতে পারে। তাই ব্যবহারকারীর নামকে শুধু দৃশ্যমান প্রোফাইলের তথ্য হিসেবেই দেখা উচিত।
যেসব রেকর্ডে IP ঠিকানা বা সেশনের চিহ্ন থাকার পক্ষে সমর্থন রয়েছে, সেগুলোতে ঝুঁকি আরও বাড়ে। IP-সংক্রান্ত তথ্য থেকে আনুমানিক অবস্থান, ইন্টারনেট সংযোগদাতা বা সেশন ব্যবহারের অভ্যাস সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে। এসব তথ্যক্ষেত্র পরিচয়পত্রের মতো সংবেদনশীল মনে না-ও হতে পারে; তবে অন্য তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে এগুলো সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং আক্রমণকে আরও কার্যকর করতে পারে।
ফোন নম্বর, জন্মতারিখ, পুরো নাম বা ঠিকানার মতো স্থায়ী তথ্য থাকলে, ব্যবহারকারীদের শুধু পাসওয়ার্ড বদলেই থেমে যাওয়া উচিত নয়। এই তথ্য পাসওয়ার্ড রিসেটের চেষ্টা, সহায়তা দেওয়ার নামে ভুয়া ফোনকল, পণ্য পাঠানো ও অর্থ পরিশোধের ছলে প্রতারণা কিংবা পরিচয় যাচাইয়ের প্রশ্নের উত্তর অনুমান করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
সম্প্রচার প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারকারী অ্যাকাউন্ট প্রায়ই সামাজিক প্রোফাইল ও অর্থ পরিশোধের সেবার সঙ্গে যুক্ত থাকে। তাই পাসওয়ার্ডের নিরাপত্তা ও সেশন ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠানের দিক থেকে, এ ধরনের ঘটনা পুরোনো ফোরাম ইঞ্জিন, দুর্বল পাসওয়ার্ড সংরক্ষণপদ্ধতি, নিয়ন্ত্রণহীন প্লাগইন, অপ্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ এবং অপর্যাপ্ত পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়ার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তুলে ধরে। ডেটাবেস ফাঁস হলে ক্ষতি বছরের পর বছর চলতে পারে।
প্রথম ধাপে ব্যবহারকারীদের SonicStream বা sonicstream.tv-এর সঙ্গে যুক্ত পুরোনো অ্যাকাউন্ট এবং সেসব অ্যাকাউন্টে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে এমন পাসওয়ার্ড শনাক্ত করা উচিত। একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়েছে এমন সব সেবায় পাসওয়ার্ড বদলাতে হবে, গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলোর সেশন শেষ করতে হবে এবং অচেনা ডিভাইস সরিয়ে দিতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপ হলো দুই-ফ্যাক্টর প্রমাণীকরণ চালু করা। SMS-এর তুলনায় অ্যাপভিত্তিক প্রমাণীকরণ বা নিরাপত্তা কী আক্রমণের বিরুদ্ধে বেশি প্রতিরোধক্ষম। বিশেষভাবে ইমেইল অ্যাকাউন্ট, পাসওয়ার্ড ম্যানেজার, আর্থিক সেবা, গেমিং অ্যাকাউন্ট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইলকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
তৃতীয় ধাপ হলো ইমেইল অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা সেটিংস পরীক্ষা করা। ফরওয়ার্ডিং নিয়ম, পুনরুদ্ধারের ঠিকানা, সংযুক্ত অ্যাপ, অ্যাপ পাসওয়ার্ড এবং সক্রিয় সেশন পর্যালোচনা করা উচিত। তথ্য ফাঁসের পর আক্রমণকারীরা সরাসরি অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারলেও, তারা পাসওয়ার্ড রিসেটের বার্তাকে লক্ষ্য করতে পারে।
চতুর্থ ধাপ হলো ফিশিং ও সহায়তা দেওয়ার নামে পাঠানো ভুয়া বার্তা সম্পর্কে সতর্ক থাকা। পুরোনো ব্যবহারকারীর নাম, ফোন নম্বর বা আগ্রহের বিষয় উল্লেখ করা বার্তা বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হতে পারে। ব্যবহারকারীদের লিংকে ক্লিক না করে নিজে ঠিকানা লিখে সংশ্লিষ্ট সেবায় যাওয়া উচিত এবং যাচাই না করে সংযুক্ত ফাইল খোলা উচিত নয়।
জরুরি করণীয়
পঞ্চম ধাপ হলো একই পাসওয়ার্ড বারবার ব্যবহারের অভ্যাস স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়া। তথ্য ফাঁসের সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিণতি হলো একই পাসওয়ার্ড অন্য কোথাও ব্যবহার করার চেষ্টা। আলাদা পাসওয়ার্ড, দুই-ফ্যাক্টর প্রমাণীকরণ এবং নিয়মিত নিরাপত্তা সতর্কবার্তা একসঙ্গে ব্যবহার করলে, অতীতের কোনো তথ্য ফাঁসের পরবর্তী প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।
সাইট মালিকদের জন্য এই রেকর্ড দেখায় যে পাসওয়ার্ড সংরক্ষণের মান সরাসরি ব্যবহারকারীর নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে। প্লেইন টেক্সট পাসওয়ার্ড বা দ্রুত ভাঙা যায় এমন হ্যাশ থাকলে, ডেটাবেস উন্মুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকাউন্ট দখলের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আধুনিক, ধীরগতির এবং সল্টযুক্ত পাসওয়ার্ড ডেরিভেশন পদ্ধতি মানদণ্ড হওয়া উচিত।
প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাডমিন প্যানেল, ব্যাকআপ ফাইল, তথ্য রপ্তানির সরঞ্জাম, পরীক্ষামূলক পরিবেশ এবং পুরোনো প্লাগইনগুলো সবচেয়ে বেশি অবহেলিত হয়। ব্যবহারকারীর তথ্য রয়েছে এমন প্রতিটি উপাদানের সীমিত অনুমতি নিয়ে কাজ করা উচিত, প্রবেশের বিবরণ লগে রাখতে হবে এবং অস্বাভাবিক কোয়েরির জন্য সতর্কসংকেত তৈরি করতে হবে।
ঘটনায় সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত নির্ধারণ করতে হবে কোন তথ্য প্রভাবিত হয়েছে। পাসওয়ার্ড রিসেট, ব্যবহারকারীকে জানানো, নিরাপত্তার দুর্বলতা সংশোধন, প্রমাণ সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট উপাদান পরীক্ষা করার পরিকল্পনা আগে থেকে না থাকলে, তথ্য ফাঁসের পরের প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয় এবং ব্যবহারকারীর আস্থা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এই রেকর্ডের গোপনীয়তাসংক্রান্ত প্রভাব কম বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে বিনোদন ও প্রকাশনাসংক্রান্ত প্রোফাইলের ক্ষেত্রে, একই ইমেইল ঠিকানা বা ছদ্মনাম বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে। ব্যবহারকারীদের কর্মক্ষেত্র ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ফোরাম এবং বিনোদনের অ্যাকাউন্ট থেকে আলাদা রাখলে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি কমে।
একই ঘটনা বিভিন্ন তালিকায় ভিন্ন নাম বা সংখ্যা নিয়ে থাকতে পারে। প্রকৃত ডোমেইন নাম, প্রত্যক্ষ সমর্থন থাকা ঘটনার তারিখ, রেকর্ডের সংখ্যা এবং তথ্যের ধরনের ভিত্তিতে SonicStream-এর রেকর্ড থেকে পুনরাবৃত্তি বাদ দেওয়া হয়েছে। একই তথ্যসমষ্টির প্রতিনিধিত্বকারী পুনরাবৃত্ত সারিগুলোকে বাড়িয়ে গণনা করা হয়নি; বিদ্যমান যাচাইকৃত রেকর্ডগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কৌশল
SonicStream-এর তথ্য ফাঁস, sonicstream.tv-এর তথ্য ফাঁস, SonicStream-এর পাসওয়ার্ড ফাঁস এবং SonicStream-এর ব্যবহারকারীর তথ্য, এমন বিভিন্ন নামে স্পষ্ট ও সরল তথ্য দেওয়ার জন্য এই পৃষ্ঠাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। লেখাটিতে শুধু যাচাইকৃত বিষয় এবং প্রযোজ্য নিরাপত্তাব্যবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।
এই রেকর্ড দেখার পর ব্যবহারকারীদের প্রথমে যাচাই করা উচিত, আগে কোন ইমেইল ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধন করেছিলেন, কোথায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেছেন এবং অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের তথ্য হালনাগাদ আছে কি না। পুরোনো তথ্য ফাঁস থেকে বর্তমানে ক্ষতি হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো একই পাসওয়ার্ডের ব্যবহার চালিয়ে যাওয়া।
প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য শিক্ষণীয় বিষয় হলো তথ্য সংগ্রহ ন্যূনতম রাখা। ব্যবহারকারীর কাছে শুধু সত্যিই প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া উচিত, যুক্তিসংগত নীতিমালা অনুযায়ী পুরোনো অ্যাকাউন্ট পরিষ্কার করা উচিত, প্রোফাইলের অপ্রয়োজনীয় তথ্যক্ষেত্র রাখা উচিত নয় এবং সংবেদনশীল তথ্য আলাদা সুরক্ষাস্তরে সংরক্ষণ করা উচিত। যে তথ্য সংগ্রহ করা হয় না, তা ফাঁসও হয় না।
এই রেকর্ডে বেশি সংখ্যার কিন্তু পরস্পরবিরোধী দাবিকে বড় করে তুলে ধরার বদলে, বিবরণ প্রত্যক্ষ সমর্থন থাকা তথ্যের মধ্যে সীমিত রাখা হয়েছে। তথ্য ফাঁসসংক্রান্ত পৃষ্ঠার নির্ভরযোগ্যতার জন্য এই পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবহারকারীর সামনে ভিত্তিহীন নিশ্চয়তা তুলে ধরার চেয়ে কোন বিষয়গুলোর পক্ষে সমর্থন রয়েছে, তা স্পষ্ট রাখা বেশি যথাযথ।
SonicStream-এর ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের ব্যবহারিক যাচাইতালিকার তিনটি অংশ হলো: পুরোনো পাসওয়ার্ড খুঁজে বের করা, একই পাসওয়ার্ড ব্যবহারকারী অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা বা সেগুলোতে পরিবর্তন আনা এবং লগইন বিজ্ঞপ্তি চালু করা। ধাপগুলো সহজ মনে হলেও, তথ্য ফাঁসের পর প্রকৃত ক্ষতি কমাতে এগুলোই সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা।
SonicStream-এর রেকর্ডে তথ্যের ধরন সীমিত রাখা হয়েছে বলে, লেখাটিতে আরও তথ্যক্ষেত্র আছে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। তবু শুধু ইমেইল ও পাসওয়ার্ডের সমন্বয়ই উচ্চ ঝুঁকি তৈরি করে। ব্যবহারকারীরা পুরোনো অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারলেও, একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা অন্য সেবাগুলোতে পাসওয়ার্ড হালনাগাদ করতে হবে।
এই রেকর্ড মূল্যায়নের সময় নিরাপত্তা দলগুলোর শুধু প্রভাবিত ওয়েবসাইটের দিকে তাকানো উচিত নয়। প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন নামযুক্ত ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধন করা কর্মী থাকলে, পুনরায় ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার চেষ্টা, ইমেইল নিরাপত্তা সতর্কবার্তা এবং ঝুঁকিপূর্ণ সাইন-ইনের সংকেতের জন্য পৃথক পর্যবেক্ষণ নিয়ম রাখা উচিত।
রেকর্ড যাচাই ও ব্যবহারকারীর করণীয়
এই ঘটনা আরও দেখায় কেন পুরোনো ও বন্ধ হয়ে যাওয়া প্ল্যাটফর্মগুলো ভুলে যাওয়া উচিত নয়। কোনো সেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বা তার ডোমেইন নাম বদলে যেতে পারে; কিন্তু ব্যবহারকারীরা আগে যে ইমেইল, পাসওয়ার্ড, ফোন বা প্রোফাইলের তথ্য দিয়েছিলেন, তা অন্য পরিবেশে ছড়িয়ে পড়তে থাকতে পারে। নিরাপত্তা মূল্যায়ন শুধু বর্তমানে প্রবেশ করা যায় কি না, তার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়।
সারসংক্ষেপে, SonicStream-এর তথ্য ফাঁস একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা রেকর্ড। 2017 সালের অক্টোবরে এই ঘটনায় 47,332টি অ্যাকাউন্ট প্রভাবিত হয়েছিল এবং এতে ইমেইল ঠিকানা ও প্লেইন টেক্সট পাসওয়ার্ডের মতো তথ্যক্ষেত্র ছিল। ব্যবহারকারীদের প্রতিটি অ্যাকাউন্টে আলাদা পাসওয়ার্ড রাখা, দুই-ফ্যাক্টর প্রমাণীকরণ ব্যবহার করা, সন্দেহজনক বার্তা সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে লগইনের ইতিহাস নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি
LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।
অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান