Straffic: তথ্য ফাঁস
Straffic-এর তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি ইসরায়েলভিত্তিক বিপণন ও পারফরম্যান্স নেটওয়ার্ক সেবার সঙ্গে যুক্ত একটি বৃহৎ পরিসরের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস। 2020 সালের ফেব্রুয়ারিতে সবার জন্য উন্মুক্ত একটি অনুসন্ধানযোগ্য ডেটাবেসের মাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। যাচাইকৃত রেকর্ডে 4,85,80,249টি স্বতন্ত্র ইমেইল ঠিকানা রয়েছে। ইমেইল ঠিকানার পাশাপাশি এই তথ্যসমষ্টিতে নাম, ফোন নম্বর, ডাক ঠিকানা এবং লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্যও ছিল। তাই ঘটনাটির গুরুত্ব পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট দখলের ক্ষেত্রে নয়; বরং যোগাযোগ ও প্রোফাইলের তথ্য ব্যবহার করে ফিশিং, ফোনে প্রতারণা, ভুয়া বিপণন বার্তা এবং সামাজিক প্রকৌশলভিত্তিক প্রতারণার ঝুঁকির ক্ষেত্রে।
উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন
5- ইমেইল ঠিকানা
- লিঙ্গ
- নাম
- ফোন নম্বর
- বাসা বা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা
এই তথ্য ফাঁস সম্পর্কে
Straffic-এর ঘটনাটি তথ্য সংগ্রহের ঝুঁকির একটি পরিচিত উদাহরণ। এটি দেখায় যে ব্যবহারকারীরা কখনো সরাসরি অ্যাকাউন্ট না খুললেও বিপণন নেটওয়ার্কে তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষিত থাকতে পারে। তথ্যসমষ্টিটি বিপণনের উদ্দেশ্যে সংকলিত যোগাযোগের রেকর্ড দিয়ে তৈরি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের কোম্পানিটি সম্পর্কে না জানার সম্ভাবনা বেশি। ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এতে দুটি আলাদা সমস্যা দেখা দেয়: ব্যক্তি বুঝতে না-ও পারেন যে তাঁর তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে, আর একই তথ্য বিভিন্ন প্রচারাভিযান, কল, বার্তা বা প্রতারণায় বারবার ব্যবহার করা যেতে পারে। এই পৃষ্ঠায় শুধু যাচাইকৃত তথ্যের ধরনগুলোর মধ্যে আলোচনা সীমিত রেখে Straffic-এর তথ্য ফাঁসের প্রকৃত ঝুঁকি এবং করণীয় ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন ও ঝুঁকি
যাচাইকৃত তথ্যের ধরনগুলো হলো ইমেইল ঠিকানা, লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য, নাম, ফোন নম্বর এবং ডাক ঠিকানা। ইমেইল ঠিকানার সঙ্গে নাম থাকলেই এমন বার্তা তৈরি করা সম্ভব, যা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে তাঁর জন্য আলাদাভাবে লেখা হয়েছে বলে মনে হয়। ফোন নম্বর যুক্ত হলে ঝুঁকি শুধু ইমেইলে সীমাবদ্ধ থাকে না; SMS, স্বয়ংক্রিয় কল, ভুয়া গ্রাহকসেবা প্রতিনিধির সঙ্গে কথোপকথন এবং পণ্য পৌঁছে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তির মতো মাধ্যমেও তা ছড়িয়ে পড়ে। ডাক ঠিকানা ব্যবহার করা যেতে পারে ভুয়া চালান, প্রতারণামূলক সাবস্ক্রিপশন, স্থানীয় সেবার প্রস্তাব বা অবস্থানের তথ্য কাজে লাগিয়ে প্রতারণার চেষ্টায়।
লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য একা খুব সংবেদনশীল মনে না-ও হতে পারে। তবে নাম, ইমেইল, ফোন নম্বর ও ঠিকানার সঙ্গে যুক্ত হলে এটি ব্যক্তির প্রোফাইল আরও বিস্তারিত করতে কাজে লাগে। আক্রমণকারীরা এ ধরনের তথ্য মিলিয়ে কোনো ব্যক্তির বসবাসের এলাকা, যোগাযোগের অভ্যাস ও সম্ভাব্য আগ্রহ নিয়ে আরও বিশ্বাসযোগ্য বার্তা তৈরি করতে পারে। এই ঘটনায় নিশ্চিত হওয়া তথ্যের ধরনগুলোর মধ্যে পাসওয়ার্ড, পেমেন্ট কার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা সরকারি পরিচয়পত্রের নম্বর নেই। এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকির বিবরণকে পাসওয়ার্ড ফাঁসের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট দখলের ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন না করে যোগাযোগ ও ঠিকানার তথ্য থেকে তৈরি হওয়া প্রতারণা এবং গোপনীয়তার ঝুঁকির ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
যাচাইকৃত পরিসর ও সীমাবদ্ধতা
sTraffic-এর তথ্য ফাঁসের ঘটনায় যাচাইকৃত অ্যাকাউন্টের সংখ্যা হলো 4,85,80,249টি স্বতন্ত্র ইমেইল ঠিকানা। ঘটনাটির তারিখ নথিভুক্ত করা হয়েছে 14 ফেব্রুয়ারি 2020 হিসেবে, আর যাচাই করে তালিকায় যুক্ত করার তারিখ 27 ফেব্রুয়ারি 2020। বৃহৎ পরিসরের একটি অনুসন্ধানযোগ্য তথ্যভান্ডারে পাওয়া যোগাযোগের রেকর্ড উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ার সঙ্গে ঘটনাটি যুক্ত। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তথ্যের পরিমাণ প্রায় 140 GB। মোট সারির সংখ্যা স্বতন্ত্র ইমেইলের সংখ্যার চেয়ে বেশি হতে পারে; তবে ব্যবহারকারীর নিরাপত্তাসংক্রান্ত অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে ব্যক্তির সঙ্গে তথ্য মেলানোর ভিত্তি হওয়া উচিত স্বতন্ত্র ইমেইলের সংখ্যা।
যাচাইকৃত তথ্যের ধরন ইমেইল ঠিকানা, লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য, নাম, ফোন নম্বর এবং ডাক ঠিকানায় সীমিত। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সব ঘরে তথ্য থাকবে, এমনটি ধরে নেওয়া যায় না। বিপণনের তথ্যসমষ্টিতে কারও শুধু ইমেইল থাকতে পারে, আবার কারও ফোন নম্বর বা ঠিকানাও থাকতে পারে। পাসওয়ার্ড, আর্থিক অ্যাকাউন্ট, পেমেন্ট কার্ড, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য বা সরকারি পরিচয়পত্র এই তথ্য ফাঁসের যাচাইকৃত পরিসরের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই অপ্রয়োজনীয় আর্থিক আতঙ্ক তৈরি না করে ব্যবহারকারীদের যোগাযোগের মাধ্যম, ঠিকানা উন্মুক্ত আছে কি না এবং সামাজিক প্রকৌশলভিত্তিক প্রতারণার ঝুঁকি যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া উচিত।
ঝুঁকিতে থাকা ব্যবহারকারী গোষ্ঠী
যাঁরা বহু বছর ধরে একই ইমেইল ঠিকানা ও ফোন নম্বর ব্যবহার করছেন, তাঁদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। সময়ের সঙ্গে বিপণনের তথ্য বিভিন্ন তালিকার সঙ্গে মেলানো যেতে পারে বলে পুরোনো যোগাযোগের রেকর্ডও বর্তমান প্রতারণামূলক বার্তায় আবার ব্যবহার করা সম্ভব। যাঁদের ইমেইল ঠিকানা কর্মস্থলের অ্যাকাউন্টের, তাঁদের ঝুঁকি আরও বেশি। কর্মস্থলের ইমেইলের সঙ্গে নাম, ফোন নম্বর ও ডাক ঠিকানা থাকলে তা ব্যবহার করে ভুয়া সরবরাহকারী, ভুয়া প্রস্তাব, ভুয়া চালান বা সভার আমন্ত্রণের মতো পেশাগত যোগাযোগের ছদ্মবেশে আক্রমণ চালানো যেতে পারে।
যাঁদের ফোন নম্বর ও ডাক ঠিকানা এই তথ্যসমষ্টিতে রয়েছে, তাঁদের SMS-ভিত্তিক প্রতারণা, পণ্য পাঠানোর ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, সাবস্ক্রিপশনের ভুয়া সতর্কবার্তা এবং স্থানীয় সেবার নামে আসা কলের ব্যাপারেও সতর্ক থাকা উচিত। ইউরোপ ও আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কিত যোগাযোগের রেকর্ড এতে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তাই বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবহারকারীরা একই ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। যাঁরা কখনো Straffic-এর নামও শোনেননি, তাঁরাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন, কারণ তাঁদের তথ্য বিপণন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংগ্রহ বা স্থানান্তর করা হয়ে থাকতে পারে। অর্থাৎ অপরিচিত কোম্পানির বিজ্ঞপ্তিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভুয়া ধরে না নিয়ে সতর্কভাবে যাচাই করা উচিত।
জরুরি করণীয়
Straffic-এর রেকর্ডের সঙ্গে আপনার তথ্য মিলে গেলে প্রথম করণীয় হলো ইমেইল ও ফোনে আসা সন্দেহজনক বার্তা আরও কঠোরভাবে যাচাই করার অভ্যাস গড়ে তোলা। ব্যাংক, পণ্য পরিবহন, সাবস্ক্রিপশন, সরকারি সেবা, চাকরির প্রস্তাব বা স্থানীয় সেবার নামে আসা বার্তার লিংকে সরাসরি ক্লিক করা উচিত নয়। কলকারী ব্যক্তিগত তথ্য, একবার ব্যবহারযোগ্য কোড, কার্ডের তথ্য বা দূর থেকে ডিভাইসে প্রবেশের অনুমতি চাইলে কলটি শেষ করুন এবং সম্ভব হলে প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগমাধ্যম দিয়ে যাচাই করুন। আপনার ডাক ঠিকানা উল্লেখ করা বার্তা বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হতে পারে। তাই কেউ শুধু আপনার ঠিকানা জানে বলেই তার সঙ্গে যোগাযোগ নিরাপদ বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়।
এই ঘটনায় পাসওয়ার্ড যাচাইকৃত তথ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে যাঁরা পাসওয়ার্ডে ঠিকানা, জন্মস্থান, পাড়া, রাস্তার নাম বা ফোন নম্বরের মতো সহজে অনুমান করা যায় এমন অংশ ব্যবহার করেন, তাঁদের পাসওয়ার্ড বদলানো উচিত। ইমেইল অ্যাকাউন্টে অপরিচিত ফরওয়ার্ডিং নিয়ম, পুনরুদ্ধারের ঠিকানা এবং সেশনের ইতিহাস পরীক্ষা করা উচিত। ফোন নম্বরে অতিরিক্ত অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা এলে অপারেটরের ব্লক করার সুবিধা, স্প্যাম ফিল্টার এবং বিশ্বস্ত কল সতর্কতা চালু করা যেতে পারে। ঠিকানাসংবলিত উন্মুক্ত প্রোফাইল ও পুরোনো তালিকায় থাকা তথ্যও কমিয়ে আনা উচিত।
দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কৌশল
দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো একটি তথ্য ফাঁসের ঘটনাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির কাছে পৌঁছানো আরও কঠিন করে তোলা। নিবন্ধন ফর্মে কেবল বাধ্যতামূলক হলেই প্রকৃত ফোন নম্বর ও প্রধান ইমেইল ঠিকানা দেওয়া উচিত। নিউজলেটার, প্রচারাভিযান, পুরস্কারের ড্র এবং একবারের জন্য ব্যবহৃত সেবায় পৃথক ইমেইল অ্যালিয়াস ব্যবহার করা যেতে পারে। অপ্রয়োজনীয় ঘরে ফোন নম্বর দেওয়া উচিত নয়। পণ্য পৌঁছে দেওয়া বা আইনি বাধ্যবাধকতার জন্য প্রয়োজন হলেই ডাক ঠিকানা শেয়ার করা উচিত। এই পদ্ধতি বিপণনের তালিকা থেকে তৈরি হওয়া ধারাবাহিক ঝুঁকি কমায়।
প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নিয়মিত নজর রাখা উচিত, কর্মীদের কর্মস্থলের ইমেইল ঠিকানা তৃতীয় পক্ষের বিপণন তালিকায় দেখা যাচ্ছে কি না। নিরাপত্তা দলের শুধু পাসওয়ার্ড ফাঁস নয়, ফোন নম্বর ও ঠিকানাসহ ব্যক্তিগত তথ্য উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ার বিষয়েও নজর দেওয়া উচিত। পাসওয়ার্ডের প্রয়োজন ছাড়াই সঠিক ব্যক্তির পরিচয় ও যোগাযোগের তথ্য ব্যবহার করে প্রায়ই ভুয়া চালান এবং সরবরাহকারীর ছদ্মবেশে প্রতারণা চালানো হয়। তাই ইমেইলের নিরাপত্তা, ফোনে যাচাইয়ের পদ্ধতি, কর্মীদের সচেতনতা এবং তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ ন্যূনতম রাখার বিষয়গুলো একসঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।
রেকর্ড যাচাই ও ব্যবহারকারীর করণীয়
Straffic-এর তথ্য ফাঁসের রেকর্ডের সঙ্গে আপনার ইমেইল ঠিকানা মেলে কি না, তা LeakData-তে পরীক্ষা করতে পারেন। মিল পাওয়া গেলে তার অর্থ হলো আপনার ইমেইল ঠিকানা এই তথ্যসমষ্টিতে রয়েছে। এর ভিত্তিতে ফোন নম্বর, ডাক ঠিকানা বা অন্য প্রতিটি তথ্যের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নেওয়া সঠিক নয়। তবু এমন মিল ইঙ্গিত দেয় যে বিপণন থেকে সংগৃহীত কোনো তথ্যসমষ্টিতে আপনার যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গিয়ে থাকতে পারে। তাই আপনার ইমেইল, ফোন নম্বর ও ঠিকানা ব্যবহার করা সন্দেহজনক বার্তাগুলো আরও সতর্কভাবে পরীক্ষা করা উচিত।
Straffic-এর তথ্য ফাঁসের পরিসরকে পাসওয়ার্ড বা পেমেন্ট কার্ড ফাঁস পর্যন্ত বাড়িয়ে বলা উচিত নয়। ঝুঁকির বিবরণ যাচাইকৃত যোগাযোগ ও প্রোফাইলের তথ্যের মধ্যেই সীমিত রাখা উচিত। এই ঘটনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ হলো আপনার ইমেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর ও ডাক ঠিকানা ব্যবহার করে ভুয়া অনুরোধ আসছে কি না তা যাচাই করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করা কমানো, স্প্যাম ফিল্টার চালু রাখা এবং পুরোনো উন্মুক্ত প্রোফাইল বন্ধ করা। আপনার তথ্য অন্য কোনো তথ্য ফাঁসের ঘটনাতেও পাওয়া গেলে প্রতিটি ঘটনার তথ্যের ধরন আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা উচিত। একটি রেকর্ডের সঙ্গে মিল পাওয়ার অর্থ এই নয় যে আপনার সব অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চুরি হয়েছে।
যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি
LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।
অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান