সব তথ্য ফাঁস
২৪ ডিসেম্বর, ২০২০ যাচাইকৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

University of California: তথ্য ফাঁস

2020 সালের ডিসেম্বরে University of California (UC) প্ল্যাটফর্মে একটি বড় ধরনের তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটে। এই নিরাপত্তা ঘটনার ফলে প্রায় 547 হাজার ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য অননুমোদিত ব্যক্তিদের হাতে চলে যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়েন এবং ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের প্রয়োজন দেখা দেয়। ঘটনার বিবরণ ও এর সম্ভাব্য পরিণতি থেকে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়।

৫৪৭.৪ হাজার
প্রতিবেদিত রেকর্ড
10
তথ্যের ধরন
উচ্চ
গুরুতরতার মাত্রা
১০ অক্টো, ২০২৬
সর্বশেষ হালনাগাদ

নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন

এই তথ্য ফাঁসে আপনি প্রভাবিত হয়েছেন কি না যাচাই করুন

আমার ইমেইল যাচাই করুন

উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন

১টি সংবেদনশীল10
  • জাতিগত পরিচয়
  • জন্মতারিখ
  • শিক্ষাগত স্তর
  • ইমেইল ঠিকানা
  • লিঙ্গ
  • পদবি
  • নাম
  • ফোন নম্বর
  • বাসা বা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা
  • সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর

এই তথ্য ফাঁস সম্পর্কে

বিভিন্ন ধরনের তথ্য ফাঁস হওয়ায় এই ঘটনা বেশ বিপজ্জনক। জন্মতারিখ থেকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, যোগাযোগের তথ্য থেকে সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর, অনেক সংবেদনশীল তথ্য ঝুঁকিতে পড়েছে। এসব তথ্য একত্র করলে পরিচয় চুরি ও আর্থিক প্রতারণার মতো বিভিন্ন অপরাধের পথ খুলে যেতে পারে। তাই এই তথ্য ফাঁসের গুরুতর পরিণতি হতে পারে।

এই বিশ্লেষণে UC প্ল্যাটফর্মে তথ্য ফাঁসের পেছনের কারণ, ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন, এর ফলে তৈরি হওয়া ঝুঁকি এবং ব্যবহারকারীদের করণীয় বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সাইবার নিরাপত্তা কৌশল ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার জন্য নেওয়া যেতে পারে এমন পদক্ষেপের বিষয়েও জানানো হবে। এই জটিল বিষয়টি সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করে আপনাকে অবহিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন ও ঝুঁকি

এই তথ্য ফাঁসের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য মানুষের ডিজিটাল পরিচয় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জন্মতারিখ দিয়ে কারও বয়স যাচাই করা যায় এবং কিছু ক্ষেত্রে তাঁর পরিচয়ও যাচাই করা যেতে পারে। ইমেইল ঠিকানা ও ফোন নম্বর ফিশিং আক্রমণের প্রাথমিক যোগাযোগমাধ্যম হয়ে উঠতে পারে। যাঁরা একাধিক প্ল্যাটফর্মে একই লগইন তথ্য ব্যবহার করেন, তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে ওঠে।

পদবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার মতো তথ্য ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে ফিশিং প্রচার চালানো যেতে পারে। বাসা বা অন্য স্থানের ঠিকানা সরাসরি শারীরিক নিরাপত্তার হুমকি বা আরও ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রতারণার কারণ হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, সামাজিক নিরাপত্তা নম্বরের (SSNs) মতো তথ্য পূর্ণমাত্রায় পরিচয় চুরি ও আর্থিক প্রতারণার সুযোগ তৈরি করে। তাই ফাঁস হওয়া প্রতিটি ধরনের তথ্যের সম্ভাব্য ঝুঁকি বোঝা জরুরি।

  • জন্মতারিখ: পরিচয় যাচাই ও বয়সভিত্তিক লক্ষ্য নির্ধারণে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পদবি: নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে সাইবার আক্রমণের জন্য তথ্য জোগাতে পারে।
  • ইমেইল ঠিকানা ও ফোন নম্বর: ফিশিং ও স্প্যাম বার্তা পাঠাতে ব্যবহার করা হয়।
  • বাসা বা অন্য স্থানের ঠিকানা: সরাসরি নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বা প্রতারণামূলক কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর (SSN): ঋণের আবেদন ও আর্থিক অ্যাকাউন্ট খোলার মতো গুরুতর প্রতারণার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
  • নাম: অন্য তথ্য যাচাই এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

যাচাইকৃত তথ্যের পরিধি ও ব্যবহারকারীদের ওপর প্রভাব

University of California-এর এই রেকর্ড মূল্যায়নের সময় আক্রমণের পদ্ধতি নিয়ে অযাচাইকৃত অনুমানের বদলে নথিভুক্ত তথ্যের ধরনকে ভিত্তি করা উচিত। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হলো জন্মতারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ইমেইল ঠিকানা, জাতিগত পটভূমির তথ্য, লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য, পদবি, পূর্ণ নাম, ফোন নম্বর, বাসা বা অন্য স্থানের ঠিকানা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর। এই তথ্যের পরিধি বিবেচনা করতে হবে অ্যাকাউন্ট দখল, ফিশিং, প্রোফাইল মেলানো, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে। নিশ্চিত করা হয়নি এমন কোনো বিবরণকে ঘটনার যাচাইকৃত অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

ঘটনাটি ঠিক কীভাবে ঘটেছে, তা বিস্তারিতভাবে বলা হয়নি। তবে সাধারণ আক্রমণের পদ্ধতির মধ্যে সার্ভারের দুর্বলতা, দুর্বল পরিচয় যাচাই ব্যবস্থা বা যথাযথ অ্যাকাউন্ট সুরক্ষা ছাড়া সংবেদনশীল তথ্য সংরক্ষণের সুযোগ কাজে লাগানো অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। তথ্য 2020 সালের ডিসেম্বরে সংগ্রহ করা হলেও পরে তা প্রকাশ্যে আসে। এটি দেখায়, ঘটনা শনাক্ত করা ও প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রক্রিয়া কতটা জটিল হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ফাঁস হওয়া তথ্য কত দিন ধরে অপব্যবহার করা হতে পারে, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়।

University of California-এর এই রেকর্ড মূল্যায়নের সময় আক্রমণের পদ্ধতি নিয়ে অযাচাইকৃত অনুমানের বদলে নথিভুক্ত তথ্যের ধরনকে ভিত্তি করা উচিত। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হলো জন্মতারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ইমেইল ঠিকানা, জাতিগত পটভূমির তথ্য, লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য, পদবি, পূর্ণ নাম, ফোন নম্বর, বাসা বা অন্য স্থানের ঠিকানা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর। এই তথ্যের পরিধি বিবেচনা করতে হবে অ্যাকাউন্ট দখল, ফিশিং, প্রোফাইল মেলানো, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে। নিশ্চিত করা হয়নি এমন কোনো বিবরণকে ঘটনার যাচাইকৃত অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

ঝুঁকিতে থাকা ব্যবহারকারী গোষ্ঠী

এ ধরনের বড় আকারের তথ্য ফাঁসের ঘটনায় কিছু ব্যবহারকারী গোষ্ঠী বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা প্ল্যাটফর্মে যোগাযোগের তথ্য ও ব্যক্তিগত বিবরণ দিয়েছেন, তাঁরা সরাসরি আক্রমণের লক্ষ্য হতে পারেন। ফাঁস হওয়া ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করে পাঠানো কৌশলী ফিশিং আক্রমণের মতো পরবর্তী হুমকিও ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছাতে পারে। সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কৌশলে এই ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের আরও তথ্য দিতে বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে প্ররোচিত করা যেতে পারে।

সামাজিক নিরাপত্তা নম্বরের মতো সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস হলে আর্থিক প্রতারণার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ঋণের আবেদন থেকে পরিচয় চুরি পর্যন্ত নানা কাজে এই তথ্যের অপব্যবহার হতে পারে। ফলে ব্যবহারকারীরা তাঁদের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য চুরি ও অপব্যবহারের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। সুনামহানির ঝুঁকিও উপেক্ষা করা উচিত নয়; চুরি করা তথ্য দিয়ে অবৈধ লেনদেন করা হলে ব্যক্তির সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

জরুরি করণীয়

  1. অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা যাচাই: ক্ষতিগ্রস্ত সব অ্যাকাউন্ট এবং একই লগইন তথ্য ব্যবহার করা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশের তথ্য অবিলম্বে পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি। শক্তিশালী ও প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা লগইন তথ্য তৈরি করুন। এই তথ্য অন্তত 12 অক্ষরের হওয়া উচিত এবং এতে বড় ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ অক্ষরের সমন্বয় থাকা উচিত।
  2. দুই-উপাদানভিত্তিক পরিচয় যাচাই (2FA): যেসব অ্যাকাউন্টে সম্ভব, সেগুলোতে দুই-উপাদানভিত্তিক পরিচয় যাচাই চালু করুন। নিরাপত্তার এই অতিরিক্ত স্তর আপনার লগইন তথ্য ফাঁস হলেও অননুমোদিত ব্যক্তিদের আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে বাধা দেবে।
  3. অ্যাকাউন্টের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ: আপনার সব সংযুক্ত আর্থিক ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন বা কার্যক্রম আছে কি না, তা নিয়মিত পর্যালোচনা করুন। অপ্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি বা লেনদেন দেখতে পেলে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
  4. ফিশিং আক্রমণ সম্পর্কে সতর্ক থাকুন: সন্দেহজনক ইমেইল, বার্তা বা ফোনকলের বিষয়ে সতর্ক থাকুন। আপনার ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য চাওয়া হলে অত্যন্ত সাবধান হোন এবং কখনো সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করবেন না।
  5. তথ্য ফাঁস পর্যবেক্ষণ সেবা: এই বা অন্য কোনো তথ্য ফাঁসের ঘটনায় আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে নির্ভরযোগ্য সেবা ব্যবহার করুন। দ্রুত শনাক্ত করা গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়।

দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কৌশল

দীর্ঘমেয়াদে আপনার সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করতে কিছু আগাম প্রতিরোধমূলক কৌশল গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ। পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করলে প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য শক্তিশালী ও আলাদা লগইন তথ্য তৈরি করে নিরাপদে সংরক্ষণ করা যায়। জটিল লগইন তথ্য তৈরি ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূরণ করার সুবিধা দিয়ে এসব সরঞ্জাম ব্যবহারকারীর কাজ সহজ করে।

নিয়মিত নিরাপত্তা নিরীক্ষা করা এবং আপনি যেসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন, সেগুলোর গোপনীয়তা নীতি পর্যালোচনা করাও উপকারী। অপ্রয়োজনীয় প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট না খোলা, অর্থাৎ তথ্যের পরিমাণ ন্যূনতম রাখার নীতি অনুসরণ করা, আপনার তথ্য উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাব্য ঝুঁকি কমায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া এবং বর্তমান হুমকি সম্পর্কে অবগত থাকা আপনার ডিজিটাল জীবন আরও নিরাপদ রাখতে সাহায্য করবে।

আপনার তথ্য যাচাই করুন

University of California-এর এই রেকর্ড মূল্যায়নের সময় আক্রমণের পদ্ধতি নিয়ে অযাচাইকৃত অনুমানের বদলে নথিভুক্ত তথ্যের ধরনকে ভিত্তি করা উচিত। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হলো জন্মতারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ইমেইল ঠিকানা, জাতিগত পটভূমির তথ্য, লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য, পদবি, পূর্ণ নাম, ফোন নম্বর, বাসা বা অন্য স্থানের ঠিকানা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর। এই তথ্যের পরিধি বিবেচনা করতে হবে অ্যাকাউন্ট দখল, ফিশিং, প্রোফাইল মেলানো, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে। নিশ্চিত করা হয়নি এমন কোনো বিবরণকে ঘটনার যাচাইকৃত অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

University of California-এর এই রেকর্ড মূল্যায়নের সময় আক্রমণের পদ্ধতি নিয়ে অযাচাইকৃত অনুমানের বদলে নথিভুক্ত তথ্যের ধরনকে ভিত্তি করা উচিত। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হলো জন্মতারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ইমেইল ঠিকানা, জাতিগত পটভূমির তথ্য, লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য, পদবি, পূর্ণ নাম, ফোন নম্বর, বাসা বা অন্য স্থানের ঠিকানা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর। এই তথ্যের পরিধি বিবেচনা করতে হবে অ্যাকাউন্ট দখল, ফিশিং, প্রোফাইল মেলানো, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে। নিশ্চিত করা হয়নি এমন কোনো বিবরণকে ঘটনার যাচাইকৃত অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

University of California-এর রেকর্ডের অতিরিক্ত মূল্যায়ন: এই রেকর্ডে জন্মতারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ইমেইল ঠিকানা, জাতিগত পরিচয়ের তথ্য, লিঙ্গ, পদবি, নাম, ফোন নম্বর, বাসা বা অন্য স্থানের ঠিকানা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর রয়েছে। তাই এটি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য-সংক্রান্ত ঘটনার রেকর্ড। তথ্যের ধরন শুধু যোগাযোগের তথ্যে সীমিত নয়; একই রেকর্ডে পরিচয়, জনমিতি, শিক্ষা ও কাজের তথ্য একত্র হয়েছে।

সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর ও বাসা বা অন্য স্থানের ঠিকানা রয়েছে এমন রেকর্ড পরিচয় চুরির ঝুঁকির কারণে অগ্রাধিকার দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। University of California-এর তথ্য ফাঁসের অনুসন্ধানে যাঁদের তথ্যের মিল পাওয়া যায়, তাঁদের প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিগুলো সতর্কভাবে অনুসরণ করা উচিত। বৃত্তি, বেতন, শিক্ষার্থী অ্যাকাউন্ট, কর বা মানবসম্পদ বিভাগসংক্রান্ত অপ্রত্যাশিত বার্তা পেলে দ্বিতীয় একটি যোগাযোগমাধ্যম দিয়ে তা যাচাই করা উচিত। ইমেইল বা ফোনে পাওয়া যাচাইকরণ কোড, নথি আপলোডের অনুরোধ বা অ্যাকাউন্ট হালনাগাদের অনুরোধের জবাব আনুষ্ঠানিক ডোমেইন নামের বাইরে দেওয়া উচিত নয়।

জনমিতিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত তথ্য একত্রে থাকাও এই রেকর্ডের সংবেদনশীলতার একটি কারণ। আক্রমণকারীরা শিক্ষাবিষয়ক, স্নাতক, কর্মী বা শিক্ষার্থীসংক্রান্ত এমন বার্তা তৈরি করতে পারে, যা ব্যক্তিগতভাবে পাঠানো হয়েছে বলে মনে হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের সেটিংস পর্যালোচনা করা, তাঁদের পরিচয় কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করা এবং আনুষ্ঠানিক সহায়তার আওতায় নেই এমন লিংকে ব্যক্তিগত নথি আপলোড না করা উচিত।

জাতিগত পরিচয়, লিঙ্গ, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পদবির মতো তথ্য আলাদাভাবে আর্থিক তথ্য না-ও হতে পারে; তবে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বার্তা ব্যক্তির সঙ্গে মিলিয়ে সাজাতে এগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। কোনো বার্তায় বিভাগ, পদ, শিক্ষার্থী হিসেবে অবস্থান বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রেক্ষাপট সঠিকভাবে উল্লেখ করা হলেও সেটিকে বিশ্বাসযোগ্য ধরে নেওয়া উচিত নয়। নথি, পরিচয় যাচাই বা অর্থ পরিশোধের অনুরোধ রয়েছে এমন লেনদেন ব্যবহারকারীদের কেবল সরাসরি আনুষ্ঠানিক সিস্টেমে প্রবেশ করে যাচাই করা উচিত।

সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর রয়েছে এমন রেকর্ডের প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ঋণ, কর, কর্মসংস্থান ও সরকারি সেবাসংক্রান্ত অপ্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি নজরে রাখা উচিত। তাঁদের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করে কোনো নতুন আবেদন বা অ্যাকাউন্ট খোলা হচ্ছে কি না, তা-ও পর্যবেক্ষণ করা উচিত। অ্যাকাউন্টে প্রবেশের তথ্য না থাকলেও আনুষ্ঠানিক পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য থাকায় এই রেকর্ডের জন্য উচ্চ অগ্রাধিকারের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

যাচাইকৃত তথ্যের পরিধি

University of California-এর এই রেকর্ডের যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো জন্মতারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ইমেইল ঠিকানা, জাতিগত পটভূমির তথ্য, লিঙ্গসংক্রান্ত তথ্য, পদবি, নাম ও পদবিসংক্রান্ত তথ্য, ফোন নম্বর, বাসা বা অন্য স্থানের ঠিকানা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নম্বরে সীমাবদ্ধ। তাই অ্যাকাউন্টের গোপন কী ফাঁস হয়েছে ধরে না নিয়ে, ইমেইল, নাম, ঠিকানা, ফোন, জনমিতিক তথ্য বা বিপণন প্রোফাইলের তথ্য থেকে তৈরি হওয়া ঝুঁকির ওপর মূল্যায়নে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি

LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।

অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান