সব তথ্য ফাঁস
২৫ মে, ২০২২ যাচাইকৃত খুচরা ব্যবসা

WiredBucks: তথ্য ফাঁস

WiredBucks-এর এই নথির মূল্যায়ন করতে হবে নথিভুক্ত তথ্যের ধরন অনুযায়ী, আক্রমণের পদ্ধতি নিয়ে অযাচাইকৃত অনুমানের ভিত্তিতে নয়। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হলো আয়সংক্রান্ত তথ্য, ইমেইল ঠিকানা, IP ঠিকানা, পূর্ণ নামসংক্রান্ত তথ্য, পাসওয়ার্ডসংক্রান্ত তথ্য, বাসা বা কর্মস্থলের ঠিকানা এবং ব্যবহারকারীর নাম। এই পরিধি বিবেচনা করতে হবে অ্যাকাউন্ট দখল, ফিশিং, বিভিন্ন প্রোফাইলের তথ্য মিলিয়ে দেখা, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে। অনিশ্চিত বিবরণকে ঘটনার যাচাইকৃত অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

৯১৮.৫ হাজার
প্রতিবেদিত রেকর্ড
7
তথ্যের ধরন
উচ্চ
গুরুতরতার মাত্রা
১০ অক্টো, ২০২৬
সর্বশেষ হালনাগাদ

নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন

এই তথ্য ফাঁসে আপনি প্রভাবিত হয়েছেন কি না যাচাই করুন

আমার ইমেইল যাচাই করুন

উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন

7
  • আয়
  • ইমেইল ঠিকানা
  • IP ঠিকানা
  • নাম
  • পাসওয়ার্ড
  • বাসা বা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা
  • ব্যবহারকারীর নাম

এই তথ্য ফাঁস সম্পর্কে

WiredBucks-এর এই নথির মূল্যায়ন নথিভুক্ত তথ্যের ধরনের ভিত্তিতে হওয়া উচিত, আক্রমণের পদ্ধতি নিয়ে অযাচাইকৃত অনুমানের ভিত্তিতে নয়। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হলো আয়সংক্রান্ত তথ্য, ইমেইল ঠিকানা, IP ঠিকানা, পূর্ণ নামসংক্রান্ত তথ্য, পাসওয়ার্ডসংক্রান্ত তথ্য, বাসা বা কর্মস্থলের ঠিকানা এবং ব্যবহারকারীর নাম। এই পরিধি বিবেচনা করতে হবে অ্যাকাউন্ট দখল, ফিশিং, বিভিন্ন প্রোফাইলের তথ্য মিলিয়ে দেখা, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে। অনিশ্চিত বিবরণকে যাচাইকৃত ঘটনার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরন ও ঝুঁকি

WiredBucks-এর তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ব্যবহারকারীদের অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। এসব তথ্য সাইবার অপরাধীদের কাছে কার্যত গুপ্তধনের মতো এবং বিভিন্ন প্রতারণামূলক পরিকল্পনায় ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন, ফাঁস হওয়া ব্যবহারকারীর নাম ও ইমেইল ঠিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে ফিশিং আক্রমণের প্রথম ধাপে ব্যবহার করা যেতে পারে। আক্রমণকারীরা এসব তথ্য ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের ভুয়া ইমেইল পাঠাতে এবং তাঁদের এমন ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে, যেগুলো দেখে বৈধ মনে হয়। এভাবে আরও সংবেদনশীল তথ্য, যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, হাতিয়ে নেওয়াই তাদের লক্ষ্য। ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে থাকা পাসওয়ার্ডগুলো অন্য অ্যাকাউন্টও দখলের কারণ হতে পারে, যদি ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। এই পরিস্থিতি ‘ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি’র মতো আর্থিক ক্ষতি এবং ‘পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য অন্যের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়া’র মতো গুরুতর আইনি সমস্যার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এ ছাড়া ফাঁস হওয়া বাসা বা কর্মস্থলের ঠিকানা এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে আরও সহজে ব্যবহারকারীদের পরিচয় যাচাই করা যেতে পারে, কিংবা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে সরাসরি প্রতারণা চালানো যেতে পারে। অন্যদিকে, IP ঠিকানা ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট সংযোগের ইতিহাস ও অবস্থান সম্পর্কে সূত্র দেয়, যা আরও উন্নত পদ্ধতিতে নজরদারি ও লক্ষ্য নির্ধারণের সুযোগ তৈরি করে। কোম্পানির রাজস্বসংক্রান্ত তথ্য ফাঁস হলে তা ব্যবহারকারীদের আয়ের স্তর সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে এবং আরও জটিল আর্থিক প্রতারণার পথ খুলে দিতে পারে। এসব তথ্য একত্র হলে পরিচয় চুরির ঝুঁকি সূচকীয় হারে বেড়ে যায়।

  • ইমেইল ঠিকানা: এগুলো ফিশিং আক্রমণ ও স্প্যাম প্রচারের লক্ষ্য হতে পারে। আক্রমণকারীরা এসব ঠিকানা ব্যবহার করে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ধারণ করতে এবং ব্যবহারকারীদের প্রতারিত করতে পারে।
  • পাসওয়ার্ড: অন্য প্ল্যাটফর্মেও একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হলে সেসব অ্যাকাউন্টও দখল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই পরিস্থিতি সামগ্রিক অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।
  • ব্যবহারকারীর নাম: সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং আক্রমণে লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য এগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্যবহারকারীর নাম কাজে লাগিয়ে আক্রমণকারীরা আরও ব্যক্তিগত ও বিশ্বাসযোগ্য বার্তা তৈরি করতে পারে।
  • IP ঠিকানা: এগুলো ব্যবহারকারীর অনলাইন কার্যকলাপ সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে অবস্থান অনুসরণে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • বাসা বা কর্মস্থলের ঠিকানা: পরিচয় চুরি এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে সরাসরি প্রতারণার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। ডাকযোগে প্রতারণা বা সরাসরি উপস্থিত হয়ে পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করার ঝুঁকিও রয়েছে।
  • আয়সংক্রান্ত তথ্য: ব্যবহারকারীর আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য দিয়ে এগুলো আরও জটিল আর্থিক প্রতারণা এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বিপণন কৌশল প্রয়োগের পথ তৈরি করতে পারে।

যাচাইকৃত পরিধি ও ব্যবহারকারীদের ওপর প্রভাব

WiredBucks-এর এই নথির মূল্যায়ন করতে হবে নথিভুক্ত তথ্যের ধরন অনুযায়ী, আক্রমণের পদ্ধতি নিয়ে অযাচাইকৃত অনুমানের ভিত্তিতে নয়। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হলো আয়সংক্রান্ত তথ্য, ইমেইল ঠিকানা, IP ঠিকানা, পূর্ণ নামসংক্রান্ত তথ্য, পাসওয়ার্ডসংক্রান্ত তথ্য, বাসা বা কর্মস্থলের ঠিকানা এবং ব্যবহারকারীর নাম। এই পরিধি বিবেচনা করতে হবে অ্যাকাউন্ট দখল, ফিশিং, বিভিন্ন প্রোফাইলের তথ্য মিলিয়ে দেখা, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে। অনিশ্চিত বিবরণকে ঘটনার যাচাইকৃত অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

বিস্তারিত প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ না থাকলেও, এ ধরনের তথ্য ফাঁসের পেছনে সাধারণত দুর্বল প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ, পুরোনো সফটওয়্যার বা সংবেদনশীল তথ্য অনিরাপদভাবে সংরক্ষণের মতো কারণ থাকে। আক্রমণকারীরা এসব দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে ডেটাবেসে অননুমোদিত প্রবেশাধিকার পেয়েছিল এবং ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য, আর্থিক তথ্য, এমনকি পাসওয়ার্ডও সংগ্রহ করেছিল। ঠিক কখন তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি শনাক্ত হয়েছিল বা WiredBucks কীভাবে তা জানতে পেরেছিল, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেই। তবে তথ্য ফাঁসের বিষয়টি জানা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহারকারীদের জানানোকে কোম্পানির দায়িত্ববোধের পরিচয়বাহী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এই ঘটনা দেখায়, কোম্পানিগুলোর সরবরাহ শৃঙ্খলে সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকি আগেভাগে মোকাবিলা করা এবং নিয়মিত নিরাপত্তা নিরীক্ষা পরিচালনা করা প্রয়োজন।

WiredBucks-এর এই নথির মূল্যায়ন নথিভুক্ত তথ্যের ধরনের ভিত্তিতে হওয়া উচিত, আক্রমণের পদ্ধতি নিয়ে অযাচাইকৃত অনুমানের ভিত্তিতে নয়। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হলো আয়সংক্রান্ত তথ্য, ইমেইল ঠিকানা, IP ঠিকানা, পূর্ণ নামসংক্রান্ত তথ্য, পাসওয়ার্ডসংক্রান্ত তথ্য, বাসা বা কর্মস্থলের ঠিকানা এবং ব্যবহারকারীর নাম। এই পরিধি বিবেচনা করতে হবে অ্যাকাউন্ট দখল, ফিশিং, বিভিন্ন প্রোফাইলের তথ্য মিলিয়ে দেখা, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে। অনিশ্চিত বিবরণকে যাচাইকৃত ঘটনার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

ঝুঁকিতে থাকা ব্যবহারকারী গোষ্ঠী

WiredBucks-এর তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সব ব্যবহারকারীই ঝুঁকিতে থাকলেও, কিছু গোষ্ঠী আরও বেশি বিপদের মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে যাঁরা একাধিক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন, তাঁরা গুরুতর ঝুঁকিতে রয়েছেন। সাইবার অপরাধীরা স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জাম দিয়ে অন্যান্য জনপ্রিয় সাইটে ফাঁস হওয়া পাসওয়ার্ড পরীক্ষা করে অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশের চেষ্টা করে। এর ফলে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্যের আরও ব্যাপক অপব্যবহার হতে পারে। যেসব ব্যবহারকারী ফিশিং আক্রমণের ফাঁদে তুলনামূলক সহজে পড়তে পারেন, তাঁরাও এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। যেমন, প্রযুক্তির সঙ্গে কম পরিচিত বা অনলাইন হুমকি সম্পর্কে যথেষ্ট জানেন না এমন ব্যক্তিরা ভুয়া ইমেইল বা বার্তার মাধ্যমে আরও সহজে প্রতারিত হতে পারেন।

প্ল্যাটফর্মের ধরন বিবেচনায়, WiredBucks যদি বিনিয়োগ বা আর্থিক লেনদেনের কোনো প্ল্যাটফর্ম হয়ে থাকে, তাহলে ব্যবহারকারীদের আর্থিক তথ্য চুরির ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ ধরনের প্ল্যাটফর্মে ফাঁস হওয়া উপার্জন বা আয়সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহারকারীদের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে, যা আরও নির্দিষ্টভাবে তাঁদের লক্ষ্য করে প্রতারণার সম্ভাবনা তৈরি করে। যেমন, আক্রমণকারীরা ব্যবহারকারীদের বিনিয়োগের পছন্দ বা আর্থিক লক্ষ্য সম্পর্কে জেনে তাঁদের জন্য বিশেষভাবে সাজানো ভুয়া বিনিয়োগের সুযোগ উপস্থাপন করতে পারে। এই পরিস্থিতি ব্যক্তির সুনাম ও আর্থিক সম্পদ, দুটোকেই গুরুতর ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। ফাঁস হওয়া তথ্য দিয়ে তৈরি ভুয়া প্রোফাইলের মাধ্যমে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং আক্রমণ চালানোও এর পরবর্তী হুমকিগুলোর মধ্যে রয়েছে।

অবিলম্বে করণীয়

এ ধরনের তথ্য ফাঁসের ঘটনায় প্রত্যেক ব্যবহারকারীর অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। উন্মুক্ত হয়ে পড়া ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার ঠেকাতে নেওয়া পদক্ষেপগুলো ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই পরিস্থিতিতে যেসব জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, সেগুলো নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:

  1. পাসওয়ার্ড পরিবর্তন: WiredBucks প্ল্যাটফর্মে আপনার পাসওয়ার্ড অবিলম্বে পরিবর্তন করা জরুরি। এ ছাড়া অন্য কোনো প্ল্যাটফর্মে এই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে, সেসব অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ডও অবিলম্বে পরিবর্তন করতে হবে। শক্তিশালী ও প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড তৈরি করতে বড়/ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও প্রতীক মিলিয়ে অন্তত 12 অক্ষরের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। সামগ্রিক অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এটি একটি মৌলিক পদক্ষেপ।
  2. দুই উপাদানভিত্তিক পরিচয় যাচাইকরণ (2FA) চালু করা: আপনার সব অনলাইন অ্যাকাউন্টে দুই উপাদানভিত্তিক পরিচয় যাচাইকরণ সুবিধা চালু করুন। নিরাপত্তার এই অতিরিক্ত স্তরটি আপনার পাসওয়ার্ড অন্যের হাতে চলে গেলেও অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকায়। এটি সাধারণত SMS কোড, মোবাইল অ্যাপ বা বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের মতো পদ্ধতিতে কাজ করে। এটি সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
  3. অ্যাকাউন্টের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ: আপনার সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ডের বিবরণী এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক কোনো কার্যকলাপ হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করুন। অপ্রত্যাশিত লেনদেন বা পরিবর্তন দেখতে পেলে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
  4. ফিশিং আক্রমণ সম্পর্কে সতর্ক থাকা: WiredBucks বা অনুরূপ প্ল্যাটফর্ম থেকে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা সন্দেহজনক ইমেইল, বার্তা বা ফোনকল সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। আপনার ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য চাওয়া কোনো যোগাযোগের উত্তর কখনো দেবেন না এবং এ ধরনের বার্তার লিংকে ক্লিক করবেন না।
  5. ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা: যেসব প্ল্যাটফর্মে আপনি আস্থা রাখেন না বা যেগুলো সন্দেহজনক মনে হয়, সেখানে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন ঠিকানা, ফোন নম্বর ইত্যাদি দেওয়া এড়িয়ে চলুন। প্রতিটি প্ল্যাটফর্মের তথ্যসংক্রান্ত নীতিমালা পর্যালোচনা করুন এবং শুধু প্রয়োজনীয় তথ্য দিন।
  6. ক্রেডিট রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ: বিশেষ করে আপনার সংবেদনশীল তথ্য, যেমন সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর, ফাঁস হয়ে থাকলে নিয়মিত আপনার ক্রেডিট রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করুন। পরিচয় চুরির চেষ্টা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কৌশল

তথ্য ফাঁসের পর জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল নিরাপত্তা কৌশলও ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সাইবার হুমকি মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলে। এসব কৌশলের মধ্যে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার অন্যতম। এই সরঞ্জামগুলো জটিল ও প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড তৈরি করতে এবং সেগুলো নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে। এতে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়ে এবং পাসওয়ার্ড মনে রাখার চাপও দূর হয়। নিয়মিত নিরাপত্তা নিরীক্ষা ও হালনাগাদ করাও অত্যন্ত জরুরি। আপনার সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হালনাগাদ রাখলে পরিচিত নিরাপত্তা দুর্বলতাগুলো দূর করা নিশ্চিত হয়।

তথ্য ন্যূনতম রাখার নীতি অনুসরণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ, শুধু আপনার সত্যিই প্রয়োজন এমন প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া এড়িয়ে চলুন। সম্ভাব্য কোনো তথ্য ফাঁসের ঘটনায় এতে আপনার ঝুঁকি কমে। অ্যান্টিভাইরাস ও অ্যান্টিম্যালওয়্যার প্রোগ্রামের মতো নিরাপত্তা সফটওয়্যার আপনার কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসকে ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে রক্ষা করে। এসব সরঞ্জাম নিয়মিত হালনাগাদ করা ও সক্রিয় রাখা হুমকির বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন সুরক্ষাব্যবস্থা তৈরি করে। সবশেষে, সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া বা বিষয়টি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা নতুন ধরনের হুমকির বিরুদ্ধে আপনাকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে সাহায্য করে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সাইবার অপরাধীদের পদ্ধতিও বদলে যায়, তাই এই ক্ষেত্রে সফলতার চাবিকাঠি হলো নিয়মিত শেখা।

আপনার তথ্য পরীক্ষা করুন

WiredBucks-এর এই নথির মূল্যায়ন নথিভুক্ত তথ্যের ধরনের ভিত্তিতে হওয়া উচিত, আক্রমণের পদ্ধতি নিয়ে অযাচাইকৃত অনুমানের ভিত্তিতে নয়। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হলো আয়সংক্রান্ত তথ্য, ইমেইল ঠিকানা, IP ঠিকানা, পূর্ণ নামসংক্রান্ত তথ্য, পাসওয়ার্ডসংক্রান্ত তথ্য, বাসা বা কর্মস্থলের ঠিকানা এবং ব্যবহারকারীর নাম। এই পরিধি বিবেচনা করতে হবে অ্যাকাউন্ট দখল, ফিশিং, বিভিন্ন প্রোফাইলের তথ্য মিলিয়ে দেখা, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে। অনিশ্চিত বিবরণকে যাচাইকৃত ঘটনার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

WiredBucks-এর এই নথির মূল্যায়ন নথিভুক্ত তথ্যের ধরনের ভিত্তিতে হওয়া উচিত, আক্রমণের পদ্ধতি নিয়ে অযাচাইকৃত অনুমানের ভিত্তিতে নয়। যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রগুলো হলো আয়সংক্রান্ত তথ্য, ইমেইল ঠিকানা, IP ঠিকানা, পূর্ণ নামসংক্রান্ত তথ্য, পাসওয়ার্ডসংক্রান্ত তথ্য, বাসা বা কর্মস্থলের ঠিকানা এবং ব্যবহারকারীর নাম। এই পরিধি বিবেচনা করতে হবে অ্যাকাউন্ট দখল, ফিশিং, বিভিন্ন প্রোফাইলের তথ্য মিলিয়ে দেখা, স্প্যাম, প্রতারণা, গোপনীয়তা হারানো এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাবের দিক থেকে। অনিশ্চিত বিবরণকে যাচাইকৃত ঘটনার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি

LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।

অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান