XBIZ তথ্য ফাঁস
2017 সালে XBIZ-এর তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটে 17 জুন 2017 তারিখে। ওই দিন শীর্ষস্থানীয় B2B সংবাদ প্রকাশক ও ডিজিটাল বিনোদন ব্যবসার গণমাধ্যম নেটওয়ার্ক XBIZ (xbiz.com)-এর vBulletin ফোরামের ডেটাবেসটি সাইবার হামলাকারীরা চুরি করে ডার্ক ওয়েবের ফোরামগুলোতে ছড়িয়ে দেয়।
উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন
6- ইমেইল ঠিকানা
- ব্যবহারকারীর নাম
- পাসওয়ার্ড
- IP ঠিকানা
- জন্মতারিখ
- Instant messaging identities
এই তথ্য ফাঁস সম্পর্কে
XBIZ-এর ঘটনায় কোন তথ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল?
ফাঁস হওয়া ব্যবহারকারীদের টেবিলে (Xbiz_vb_users_6_17_2017.csv) গণমাধ্যমের নির্বাহী, অ্যাফিলিয়েট, ওয়েবমাস্টার ও এই খাতের পেশাজীবীদের অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এই ঘটনায় এই খাতের 28,177 জন স্বতন্ত্র সদস্যের রেকর্ড বেহাত হয় এবং নিচের তথ্যগুলো ফাঁস হয়:
- অ্যাকাউন্টের শনাক্তকারী তথ্য: ব্যবহারকারীর নাম, নিবন্ধনের তারিখ ও জন্মতারিখ।
- যোগাযোগ ও IM পরিচয়তথ্য: ক্যানোনিক্যাল ইমেইল ঠিকানা, পুরোনো মেসেজিং সেবার ব্যবহারকারী পরিচয় (Skype, ICQ, MSN, AIM) এবং ওয়েবসাইটের URL।
- প্রমাণীকরণের গোপন তথ্য: সল্টযুক্ত MD5 পাসওয়ার্ড হ্যাশ এবং প্রত্যেক ব্যবহারকারীর পৃথক ক্রিপ্টোগ্রাফিক সল্ট।
- নেটওয়ার্ক টেলিমেট্রি: লগে সংরক্ষিত ক্লায়েন্টের IP ঠিকানা।
কতটি অ্যাকাউন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল?
কঠোরভাবে RFC অনুসারে ক্যানোনিক্যাল পার্সিং করে এবং পুনরাবৃত্ত এন্ট্রি বাদ দিয়ে 28,177টি স্বতন্ত্র বৈধ ইমেইল ঠিকানা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও নিরাপত্তা ঝুঁকি
আধুনিক GPU ক্লাস্টার দিয়ে উচ্চগতির ডিকশনারি ও ব্রুট-ফোর্স পদ্ধতিতে সল্টযুক্ত MD5 হ্যাশ ভেঙে পাসওয়ার্ড উদ্ধার করা সম্ভব। এই খাতের সদস্যদের ইমেইল ঠিকানার সঙ্গে পাসওয়ার্ড ও IP ঠিকানা ফাঁস হলে করপোরেট হোস্টিং ও অ্যাফিলিয়েট ড্যাশবোর্ডজুড়ে লক্ষ্যভিত্তিক চাঁদাবাজি, স্পিয়ার-ফিশিং ও ক্রেডেনশিয়াল স্টাফিংয়ের সুযোগ তৈরি হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবহারকারীদের জন্য করণীয়
XBIZ-এ অ্যাকাউন্ট থাকা পেশাজীবীদের উচিত:
- যেসব সেবায় তাঁদের XBIZ পাসওয়ার্ড বা ইমেইল ব্যবহার করা হয়েছে, সেসব সেবার পাসওয়ার্ড অবিলম্বে পরিবর্তন করা।
- প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল ও অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্কগুলোতে বহু-উপাদানভিত্তিক প্রমাণীকরণ (MFA / 2FA) চালু করা।
যাচাই ও সম্পাদনার পদ্ধতি
LeakData ঘটনাটির নাম, তারিখ, প্রভাবিত রেকর্ডের সংখ্যা এবং উন্মুক্ত হওয়া তথ্যের ধরন উপলব্ধ উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যাচাই করা হয়নি এমন তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না, এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়।
অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জানান